জানুয়ারি ২১, ২০২১

করোনা: জরুরি প্রয়োজনে খোলা রাখা যাবে কারখানা

করোনা সংকটে স্থবিরতার মধ্যে শিল্প মালিকদের জন্য স্বস্তির খবর দিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর (ডিআইএফই)এর মহাপরিদর্শক শিবনাথ রাগ। শুক্রবার এই নির্দেশনায় তিনি জানান, জরুরি প্রয়োজনে শিল্পকারখানা চালু রাখা যাবে। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইইডিসিআরের জারি করা স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নির্দেশিকা কঠোর ভাবে পালন করতে হবে এবং কারখানায় প্রবেশের আগে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে শ্রমিকদের গায়ের তাপমাত্রা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।

ডিআইএফইর মহাপরিদর্শকের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যেসব রপ্তানিমুখী কারখানায় ওয়ার্কঅর্ডার রয়েছে এবং করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জরুরি পণ্য-পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইমেন্ট (পিপিই), মাস্ক, হ্যান্ডওয়াশ বা স্যানিটাইজার, ওষুধ ইত্যাদি উৎপাদন কার্যক্রম চলছে সেসব কারখানার মালিকেরা শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কারখানা চালু রাখবেন। পাশাপাশি, কারখানার কোনো শ্রমিকের করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলেই তাকে কোয়ারেন্টাইনের পাশাপাশি চিকিৎসার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত ২৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদানের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদণা প্যাকেজ ঘোষণার পাশাপাশি তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। তবে সেখানে শিল্প কারখানা বন্ধের কোনো নির্দেশনা ছিলো না।

সরকারি নির্দেশনা না থাকলেও তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ গতকাল শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য মালিকদের কারখানা বন্ধ করার অনুরোধ জানায়। অন্যদিকে আজ নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন।

বাংলাদেশ রিপোর্ট

সবগুলো লেখা দেখুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

যুক্ত থাকুন

নির্ভরযোগ্য সংবাদের জন্য আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন।

বাংলাদেশ রিপোর্ট পরিবারে যুক্ত থাকুন:

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমরা আছি নানান কনটেন্ট আর পরামর্শ নিয়ে । আমাদের সাথে যুক্ত হতে নিচের আইকনগুলোতে ক্লিক করুন:

বাংলাদেশ রিপোর্ট

পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলছে। যেকোনো পরামর্শ এবং অভিযোগ সাদরে গ্রহণ করা হবে। ধন্যবাদ।