মেজর সিনহা হত্যার বিচার দ্রুত শেষ করার দাবি এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান (বহিঃ) হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)। শনিবার সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের শামলাপুর চেকপোস্টে কক্সবাজার জেলা পুলিশের গুলিতে মেজর সিনহা নিহত হন। হত্যাকাণ্ডের পর দেশে-বিদেশে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। সরকার ১৪ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

কিন্তু চার বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও মামলার বিচার কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ করেছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। বিজ্ঞপ্তিতে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, “মামলার দীর্ঘসূত্রতা বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা দুর্বল করছে এবং নির্যাতিতের পরিবারকে বছরের পর বছর ভোগান্তির মধ্যে ফেলছে।”

সংগঠনটি আরও দাবি করেছে, বিভিন্ন মহলের প্রভাব ও রাজনৈতিক চাপে মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে তারা ভবিষ্যতে বৃহত্তর কর্মসূচির ডাক দিতে বাধ্য হবে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

মেজর সিনহা হত্যার বিচার দ্রুত শেষ করার দাবি এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান (বহিঃ) হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত শেষ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন (ইএফএ)। শনিবার সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই টেকনাফের শামলাপুর চেকপোস্টে কক্সবাজার জেলা পুলিশের গুলিতে মেজর সিনহা নিহত হন। হত্যাকাণ্ডের পর দেশে-বিদেশে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। সরকার ১৪ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ডের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

কিন্তু চার বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও মামলার বিচার কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি বলে অভিযোগ করেছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। বিজ্ঞপ্তিতে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, “মামলার দীর্ঘসূত্রতা বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা দুর্বল করছে এবং নির্যাতিতের পরিবারকে বছরের পর বছর ভোগান্তির মধ্যে ফেলছে।”

সংগঠনটি আরও দাবি করেছে, বিভিন্ন মহলের প্রভাব ও রাজনৈতিক চাপে মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে তারা ভবিষ্যতে বৃহত্তর কর্মসূচির ডাক দিতে বাধ্য হবে।