যুদ্ধের মধ্যে গাজা সফরে নেতানিয়াহু

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

চলমান ভয়াবহ সংঘাতের মধ্যেই গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে আকস্মিক সফর করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তীব্র স্থল ও বিমান অভিযানের মাঝপথে এই সফর অনুষ্ঠিত হয় বলে জানায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়। সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নেতানিয়াহু গাজার উত্তর অংশে ঘুরে দেখেন সামরিক অভিযান সম্পর্কিত পরিস্থিতি। তবে সফরের সময়কাল ও কার্যক্রম নিয়ে আর কোনও বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।

ইসরায়েলের সাম্প্রতিক অভিযানে গাজায় প্রাণ হারিয়েছে এক হাজারের বেশি মানুষ এবং আহত হয়েছে আরও কয়েক হাজার। হাসপাতাল, আবাসিক এলাকা—কোনো কিছুই রেহাই পাচ্ছে না ইসরায়েলি বাহিনীর আঘাত থেকে।

ইসরায়েলি বাহিনী ইতোমধ্যে উপত্যকার বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। প্রাণে বাঁচতে অসংখ্য বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে পালিয়ে যাচ্ছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইসরায়েল প্রস্তাবিত ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস। প্রস্তাবিত চুক্তিতে অস্ত্রসমর্পণকে মূল শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছিল ইসরায়েল, যা হামাস গ্রহণযোগ্য মনে করেনি।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

যুদ্ধের মধ্যে গাজা সফরে নেতানিয়াহু

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

সংগৃহীত

চলমান ভয়াবহ সংঘাতের মধ্যেই গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে আকস্মিক সফর করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তীব্র স্থল ও বিমান অভিযানের মাঝপথে এই সফর অনুষ্ঠিত হয় বলে জানায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়। সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, নেতানিয়াহু গাজার উত্তর অংশে ঘুরে দেখেন সামরিক অভিযান সম্পর্কিত পরিস্থিতি। তবে সফরের সময়কাল ও কার্যক্রম নিয়ে আর কোনও বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।

ইসরায়েলের সাম্প্রতিক অভিযানে গাজায় প্রাণ হারিয়েছে এক হাজারের বেশি মানুষ এবং আহত হয়েছে আরও কয়েক হাজার। হাসপাতাল, আবাসিক এলাকা—কোনো কিছুই রেহাই পাচ্ছে না ইসরায়েলি বাহিনীর আঘাত থেকে।

ইসরায়েলি বাহিনী ইতোমধ্যে উপত্যকার বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। প্রাণে বাঁচতে অসংখ্য বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে পালিয়ে যাচ্ছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেই ইসরায়েল প্রস্তাবিত ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস। প্রস্তাবিত চুক্তিতে অস্ত্রসমর্পণকে মূল শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছিল ইসরায়েল, যা হামাস গ্রহণযোগ্য মনে করেনি।