চলে গেলেন আলোকচিত্রের কিংবদন্তি চঞ্চল মাহমুদ

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের মডেল ফটোগ্রাফির পথিকৃৎ, নন্দিত আলোকচিত্রী চঞ্চল মাহমুদ আর নেই। শুক্রবার (২০ জুন) রাত ৯টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি তিনি ব্রেন স্ট্রোক করেন। এরপর থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ মুহূর্তে লাইফ সাপোর্টে রাখা হলেও আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি তাকে।

চঞ্চল মাহমুদের ইচ্ছা অনুযায়ী, শনিবার (২১ জুন) দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

সাড়ে চার দশকের বেশি সময় ধরে আলোকচিত্রের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন চঞ্চল মাহমুদ। শুধু একজন ফটোগ্রাফার নন, তিনি ছিলেন শিক্ষক, পথপ্রদর্শক এবং শিল্পীর নির্মাতা। দেশের প্রথম সারির বহু মডেল, অভিনেতা-অভিনেত্রীর ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল তার ক্যামেরার লেন্স দিয়ে।

‘চঞ্চল মাহমুদ ফটোগ্রাফি’ নামে তার নিজস্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ছিল, যেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ফটোগ্রাফিতে হাতে খড়ি নিয়েছে। তার তোলা ছবি নিয়ে দেশ-বিদেশে একাধিক প্রদর্শনী হয়েছে। বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি।

চঞ্চল মাহমুদের মৃত্যুতে দেশের সংস্কৃতি ও আলোকচিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বহু সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও ভক্ত তার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করছেন।

বাংলাদেশের আলোকচিত্র জগতে চঞ্চল মাহমুদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে—এমনটাই মনে করছেন অনেকে। শিল্প, শিক্ষা এবং আলোকচিত্রের মিশ্রণে তার জীবন ছিল এক অনন্য উদাহরণ।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

চলে গেলেন আলোকচিত্রের কিংবদন্তি চঞ্চল মাহমুদ

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

বাংলাদেশের মডেল ফটোগ্রাফির পথিকৃৎ, নন্দিত আলোকচিত্রী চঞ্চল মাহমুদ আর নেই। শুক্রবার (২০ জুন) রাত ৯টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি তিনি ব্রেন স্ট্রোক করেন। এরপর থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ মুহূর্তে লাইফ সাপোর্টে রাখা হলেও আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি তাকে।

চঞ্চল মাহমুদের ইচ্ছা অনুযায়ী, শনিবার (২১ জুন) দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

সাড়ে চার দশকের বেশি সময় ধরে আলোকচিত্রের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন চঞ্চল মাহমুদ। শুধু একজন ফটোগ্রাফার নন, তিনি ছিলেন শিক্ষক, পথপ্রদর্শক এবং শিল্পীর নির্মাতা। দেশের প্রথম সারির বহু মডেল, অভিনেতা-অভিনেত্রীর ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল তার ক্যামেরার লেন্স দিয়ে।

‘চঞ্চল মাহমুদ ফটোগ্রাফি’ নামে তার নিজস্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ছিল, যেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ফটোগ্রাফিতে হাতে খড়ি নিয়েছে। তার তোলা ছবি নিয়ে দেশ-বিদেশে একাধিক প্রদর্শনী হয়েছে। বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি।

চঞ্চল মাহমুদের মৃত্যুতে দেশের সংস্কৃতি ও আলোকচিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বহু সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও ভক্ত তার প্রয়াণে শোক প্রকাশ করছেন।

বাংলাদেশের আলোকচিত্র জগতে চঞ্চল মাহমুদের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে—এমনটাই মনে করছেন অনেকে। শিল্প, শিক্ষা এবং আলোকচিত্রের মিশ্রণে তার জীবন ছিল এক অনন্য উদাহরণ।