ফেসবুকে নগ্ন ছবি আদান-প্রদান থেকে যুবক খুন, প্রেমিকাসহ গ্রেফতার ২

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

সাভারে নিখোঁজ যুবক মো. সাজ্জাদ ইসলাম সবুজকে (২৬) ৯ খণ্ডে টুকরো করে হত্যা করে লাশ ফেলে দেওয়া হয় বিভিন্ন স্থানে। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেফতার করা হয়েছে রোকনুজ্জামান পলাশ (২৬) ও তার কথিত স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার তৃষাকে (২৬)।

পিবিআই জানায়, ফেসবুকে ভুয়া আইডি ব্যবহার করে সবুজ ও সুমাইয়ার মধ্যে অশ্লীল ও নগ্ন ছবি আদান-প্রদানের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে এই সম্পর্কের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগে গড়ে ওঠে হত্যার পরিকল্পনা।

গত ৩ এপ্রিল নিখোঁজ হওয়ার পর সবুজের লাশ ৫ এপ্রিল দুটি আলাদা জায়গা থেকে কার্টনে মোড়ানো অবস্থায় খণ্ডিত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি দেখে নিহতের মামা মরদেহ শনাক্ত করেন।

তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, ঘটনার পর পালিয়ে থাকা আসামিরা ভারতে পালানোর পরিকল্পনা করছিল। তবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার গাবতলী থেকে অনুসরণ করে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে সুমাইয়াকে এবং পলাশকে তার খালার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিতে তারা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। পিবিআই হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি, আইফোন, কার্টন ও মরদেহ বহনের গাড়িও উদ্ধার করেছে।

পিবিআই বলছে, এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, বরং সামাজিক অবক্ষয় ও প্রযুক্তিনির্ভর সম্পর্কের এক ভয়াবহ পরিণতি।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

ফেসবুকে নগ্ন ছবি আদান-প্রদান থেকে যুবক খুন, প্রেমিকাসহ গ্রেফতার ২

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

সংগৃহীত

সাভারে নিখোঁজ যুবক মো. সাজ্জাদ ইসলাম সবুজকে (২৬) ৯ খণ্ডে টুকরো করে হত্যা করে লাশ ফেলে দেওয়া হয় বিভিন্ন স্থানে। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেফতার করা হয়েছে রোকনুজ্জামান পলাশ (২৬) ও তার কথিত স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার তৃষাকে (২৬)।

পিবিআই জানায়, ফেসবুকে ভুয়া আইডি ব্যবহার করে সবুজ ও সুমাইয়ার মধ্যে অশ্লীল ও নগ্ন ছবি আদান-প্রদানের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে এই সম্পর্কের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগে গড়ে ওঠে হত্যার পরিকল্পনা।

গত ৩ এপ্রিল নিখোঁজ হওয়ার পর সবুজের লাশ ৫ এপ্রিল দুটি আলাদা জায়গা থেকে কার্টনে মোড়ানো অবস্থায় খণ্ডিত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি দেখে নিহতের মামা মরদেহ শনাক্ত করেন।

তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, ঘটনার পর পালিয়ে থাকা আসামিরা ভারতে পালানোর পরিকল্পনা করছিল। তবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার গাবতলী থেকে অনুসরণ করে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে সুমাইয়াকে এবং পলাশকে তার খালার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিতে তারা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। পিবিআই হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি, আইফোন, কার্টন ও মরদেহ বহনের গাড়িও উদ্ধার করেছে।

পিবিআই বলছে, এটি শুধু একটি হত্যাকাণ্ড নয়, বরং সামাজিক অবক্ষয় ও প্রযুক্তিনির্ভর সম্পর্কের এক ভয়াবহ পরিণতি।