ন্যূনতম মজুরির দাবি সাভারে বিক্ষোভ-কর্মবিরতি

ট্যানারিতে উৎপাদন ব্যাহত

প্রকাশ :

ছবি: প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও কর্মবিরতির কারণে ঢাকার সাভার উপজেলায় ট্যানারি শিল্প নগরীর কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নের দাবিতে শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন কারখানার সামনে অবস্থান নিয়ে ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের ব্যানারে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ পালন করে শ্রমিকরা।

কর্মসূচির কারণে শ্রমিকরা কাজে যোগ দেননি। ফলে চামড়া শিল্প নগরীর কারখানাগুলোতে উৎপাদন বন্ধ ছিল। দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিকরা।

ট্যানারি শ্রমিক আরিফ মোল্লা বলেন, “অন্যান্য সেক্টরে ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার পরপর তা বাস্তবায়ন হয়েছে। কিন্তু ট্যানারি শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি ১৮ হাজার ১ টাকা নির্ধারণ করা হলেও এখন বাস্তবায়ন করেননি মালিকরা। তাই বাধ্য হয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শ্রমিকরা।”

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও সালমা ট্যানারির পরিচালক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, “তাদের (শ্রমিক) সঙ্গে আলোচনা তো চলছে। আগামী ১৭ মার্চ শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধি ও মালিক পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের তারিখ ঠিক করা হয়েছে। আমরা তাদের চিঠি দিয়েও বৈঠকের বিষয়টি ঠিকঠাক করেছি। শ্রমিকরাও জানেন, বৈঠকে আলোচনা হবে। এর মধ্যে হঠাৎ করে আধাবেলার কর্মবিরতি করলেন তারা।”

এদিকে শ্রমিকরা জানান, ন্যূনতম মজুরির পাশাপাশি তাদের আরো কিছু দাবি রয়েছে। দাবিগুলো হল- প্রতিটি কারখানায় শ্রম আইন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে, শ্রমিকদের নিয়োগপত্র ও ছবিসহ পরিচয়পত্র দিতে হবে, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পরিদর্শন কার্যক্রম স্বচ্ছ, কার্যকর ও জোরদার করতে হবে, স্থায়ী কাজে কোনো অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া যাবে না, মধ্যস্বত্বভোগী বেআইনি কন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে শ্রমিকদের কাজ করানো অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ শ্রমিক ছাঁটাই ও টারমিনেশন বন্ধ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

ন্যূনতম মজুরির দাবি সাভারে বিক্ষোভ-কর্মবিরতি

ট্যানারিতে উৎপাদন ব্যাহত

প্রকাশ :

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও কর্মবিরতির কারণে ঢাকার সাভার উপজেলায় ট্যানারি শিল্প নগরীর কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নের দাবিতে শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন কারখানার সামনে অবস্থান নিয়ে ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের ব্যানারে কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ পালন করে শ্রমিকরা।

কর্মসূচির কারণে শ্রমিকরা কাজে যোগ দেননি। ফলে চামড়া শিল্প নগরীর কারখানাগুলোতে উৎপাদন বন্ধ ছিল। দাবি আদায় না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন শ্রমিকরা।

ট্যানারি শ্রমিক আরিফ মোল্লা বলেন, “অন্যান্য সেক্টরে ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার পরপর তা বাস্তবায়ন হয়েছে। কিন্তু ট্যানারি শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি ১৮ হাজার ১ টাকা নির্ধারণ করা হলেও এখন বাস্তবায়ন করেননি মালিকরা। তাই বাধ্য হয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শ্রমিকরা।”

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও সালমা ট্যানারির পরিচালক সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, “তাদের (শ্রমিক) সঙ্গে আলোচনা তো চলছে। আগামী ১৭ মার্চ শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধি ও মালিক পক্ষের সঙ্গে বৈঠকের তারিখ ঠিক করা হয়েছে। আমরা তাদের চিঠি দিয়েও বৈঠকের বিষয়টি ঠিকঠাক করেছি। শ্রমিকরাও জানেন, বৈঠকে আলোচনা হবে। এর মধ্যে হঠাৎ করে আধাবেলার কর্মবিরতি করলেন তারা।”

এদিকে শ্রমিকরা জানান, ন্যূনতম মজুরির পাশাপাশি তাদের আরো কিছু দাবি রয়েছে। দাবিগুলো হল- প্রতিটি কারখানায় শ্রম আইন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে, শ্রমিকদের নিয়োগপত্র ও ছবিসহ পরিচয়পত্র দিতে হবে, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পরিদর্শন কার্যক্রম স্বচ্ছ, কার্যকর ও জোরদার করতে হবে, স্থায়ী কাজে কোনো অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া যাবে না, মধ্যস্বত্বভোগী বেআইনি কন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে শ্রমিকদের কাজ করানো অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ শ্রমিক ছাঁটাই ও টারমিনেশন বন্ধ করতে হবে।