কাহালুতে নির্যাতিত দুই শিশু হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশ :

ছবি: প্রতিবেদকের পাঠানো ছবি

বগুড়া প্রতিনিধি
বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকর ইউনিয়নে এবার ৭ বছরের দুই শিশু নির্যাতিত হয়েছে। এর মধ্যে এক জনকে ধর্ষণ ও অপরজনকে ধর্ষনের চেস্টা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতের পর অসুস্থ্য শিশু দু’টিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ(শজিমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে(ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে শিশু দু’টি চিকিৎসাধীন রয়েছে। শনিবার ওসিসি’র পক্ষ থেকে বলা হয় শিশু দুটি মানসিক বির্পযস্ত ও ভীতির মধ্যে রয়েছে। তবে তাদের শাররিক অবস্থা ভালোর দিকে। এঘটনায় কাহালু থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ধর্ষক নুর ইসলাম(৪২) পলাতক রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানীর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
পুলিশ ও নির্যাতনের শিকার শিশুর পারিবারিক সুত্র জানায়, পাইকর ইউনিয়েনে আড়োলা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা শিশু দুটি’র পরিবার। ধর্ষক নুর ইসলামও সেখানে পরিবার নিয়ে থাকে। রাজমিস্ত্রীর কাজ করে। বুধবার বেলা ১১ টার দিকে শিশু দু’টি বাড়ির সামনে খেলছিলো। মুখরোচক খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে শিশু দুটিকে ধর্ষক নিজের ঘরে নিয়ে যায়। ঘটনার সময় ধর্ষকের স্ত্রী বাড়িতে ছিলো না। সেখানে শিশু ’টির ওপর সে নির্যাতন চালায় এবং কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখায়। পরে রাতে এক শিশু ঘুমের মধ্যে চিৎকার ও গায়ে জ্বর আসলে শিশুটির পরিবার জিজ্ঞাস করলে প্রথমে সে মুখ খুলেনি। পরের দিন সে তার ওপর চালানো নির্যাতনের বিষয়টি সে জানায়। বৃহস্পতিবার পরিবারের লোকজন শিশুটিকে দেখে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরিবারের এক সদস্য জানান ধর্ষণের পর শিশুটিকে ভয় দেখানে হয়েছিলো সে যেন ঘটনাটি কাউকে না বলে। জানালে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ধর্ষক নুর ইসলাম। একারণে শিশুটি ধর্ষণের পর মুখ খুলতে চায়নি। কাহালু থানা পুলিশ শুক্রবার রাতেই আড়োলা আবাসন প্রকল্প থেকে নির্যাতিত শিশুটিকে নিয়ে আসে। এ বিষয়ে কাহালু থানার ওসি( তদন্ত)মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, ধর্ষণের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। পলাতক ধর্ষককে গ্রেফতারের অভিাযান চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

কাহালুতে নির্যাতিত দুই শিশু হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশ :

প্রতিবেদকের পাঠানো ছবি

বগুড়া প্রতিনিধি
বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকর ইউনিয়নে এবার ৭ বছরের দুই শিশু নির্যাতিত হয়েছে। এর মধ্যে এক জনকে ধর্ষণ ও অপরজনকে ধর্ষনের চেস্টা করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতের পর অসুস্থ্য শিশু দু’টিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ(শজিমেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে(ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে শিশু দু’টি চিকিৎসাধীন রয়েছে। শনিবার ওসিসি’র পক্ষ থেকে বলা হয় শিশু দুটি মানসিক বির্পযস্ত ও ভীতির মধ্যে রয়েছে। তবে তাদের শাররিক অবস্থা ভালোর দিকে। এঘটনায় কাহালু থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ধর্ষক নুর ইসলাম(৪২) পলাতক রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানীর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
পুলিশ ও নির্যাতনের শিকার শিশুর পারিবারিক সুত্র জানায়, পাইকর ইউনিয়েনে আড়োলা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দা শিশু দুটি’র পরিবার। ধর্ষক নুর ইসলামও সেখানে পরিবার নিয়ে থাকে। রাজমিস্ত্রীর কাজ করে। বুধবার বেলা ১১ টার দিকে শিশু দু’টি বাড়ির সামনে খেলছিলো। মুখরোচক খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে শিশু দুটিকে ধর্ষক নিজের ঘরে নিয়ে যায়। ঘটনার সময় ধর্ষকের স্ত্রী বাড়িতে ছিলো না। সেখানে শিশু ’টির ওপর সে নির্যাতন চালায় এবং কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখায়। পরে রাতে এক শিশু ঘুমের মধ্যে চিৎকার ও গায়ে জ্বর আসলে শিশুটির পরিবার জিজ্ঞাস করলে প্রথমে সে মুখ খুলেনি। পরের দিন সে তার ওপর চালানো নির্যাতনের বিষয়টি সে জানায়। বৃহস্পতিবার পরিবারের লোকজন শিশুটিকে দেখে ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরিবারের এক সদস্য জানান ধর্ষণের পর শিশুটিকে ভয় দেখানে হয়েছিলো সে যেন ঘটনাটি কাউকে না বলে। জানালে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ধর্ষক নুর ইসলাম। একারণে শিশুটি ধর্ষণের পর মুখ খুলতে চায়নি। কাহালু থানা পুলিশ শুক্রবার রাতেই আড়োলা আবাসন প্রকল্প থেকে নির্যাতিত শিশুটিকে নিয়ে আসে। এ বিষয়ে কাহালু থানার ওসি( তদন্ত)মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, ধর্ষণের ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। পলাতক ধর্ষককে গ্রেফতারের অভিাযান চলছে।