স্বামী নেশাগ্রস্ত, বাসাতেই ‘বার’ অভিনেত্রীর

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠীর সংসারজীবনকে ঘিরে সম্প্রতি উঠে এসেছে এক নতুন তথ্য। অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কার স্বামী, অভিনেতা বিবেক দাহিয়া নিজেই স্বীকার করেছেন, তিনি একসময় ভয়ংকরভাবে মদে আসক্ত ছিলেন। শুধু তা-ই নয়, বাড়িতেই রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ বার!

২০১৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন দিব্যাঙ্কা ও বিবেক। ভক্তদের চোখে তারা ছিলেন এক আদর্শ দম্পতি—একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, সামাজিক মাধ্যমে সুখী ছবির ছড়াছড়ি। কিন্তু সেই ছবির বাইরেও ছিল এক অদৃশ্য বাস্তবতা।

এক সাক্ষাৎকারে বিবেক জানান, করোনা লকডাউনের সময় থেকেই শুরু হয় তার মদ্যপানের অভ্যাস। একপর্যায়ে প্রতিরাতেই মদ খাওয়া তার নিত্যনিয়মে পরিণত হয়। বিবেক বলেন, “একটা রাতও মদ ছাড়া কল্পনা করতে পারতাম না। তখন মনে হতো, মদ খেয়েই ভালো সিনেমা আর ওয়েব সিরিজ উপভোগ করা যায়।”

বাড়িতে তারা নিজেরাই একটি বার তৈরি করেছেন, যেখানে নানা দেশের বিদেশি মদের সংগ্রহ রয়েছে। বিবেক আরও জানান, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে তার শরীরে নানা পরিবর্তন দেখা দেয়—ভুঁড়ি, চুল পড়া, চোখের নিচে কালি, হজমের সমস্যা ইত্যাদি।

তবে এসবের পর তিনি উপলব্ধি করেন, এভাবে চলতে পারে না। তখনই তিনি একজন মনোবিদের সাহায্য নেন এবং ধীরে ধীরে নেশামুক্ত জীবনে ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত।

এই অকপট স্বীকারোক্তি তার ভক্তদের জন্য যেমন বিস্ময়কর, তেমনি সচেতনতার বার্তাও বটে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

স্বামী নেশাগ্রস্ত, বাসাতেই ‘বার’ অভিনেত্রীর

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

সংগৃহীত

টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠীর সংসারজীবনকে ঘিরে সম্প্রতি উঠে এসেছে এক নতুন তথ্য। অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কার স্বামী, অভিনেতা বিবেক দাহিয়া নিজেই স্বীকার করেছেন, তিনি একসময় ভয়ংকরভাবে মদে আসক্ত ছিলেন। শুধু তা-ই নয়, বাড়িতেই রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ বার!

২০১৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন দিব্যাঙ্কা ও বিবেক। ভক্তদের চোখে তারা ছিলেন এক আদর্শ দম্পতি—একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, সামাজিক মাধ্যমে সুখী ছবির ছড়াছড়ি। কিন্তু সেই ছবির বাইরেও ছিল এক অদৃশ্য বাস্তবতা।

এক সাক্ষাৎকারে বিবেক জানান, করোনা লকডাউনের সময় থেকেই শুরু হয় তার মদ্যপানের অভ্যাস। একপর্যায়ে প্রতিরাতেই মদ খাওয়া তার নিত্যনিয়মে পরিণত হয়। বিবেক বলেন, “একটা রাতও মদ ছাড়া কল্পনা করতে পারতাম না। তখন মনে হতো, মদ খেয়েই ভালো সিনেমা আর ওয়েব সিরিজ উপভোগ করা যায়।”

বাড়িতে তারা নিজেরাই একটি বার তৈরি করেছেন, যেখানে নানা দেশের বিদেশি মদের সংগ্রহ রয়েছে। বিবেক আরও জানান, অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে তার শরীরে নানা পরিবর্তন দেখা দেয়—ভুঁড়ি, চুল পড়া, চোখের নিচে কালি, হজমের সমস্যা ইত্যাদি।

তবে এসবের পর তিনি উপলব্ধি করেন, এভাবে চলতে পারে না। তখনই তিনি একজন মনোবিদের সাহায্য নেন এবং ধীরে ধীরে নেশামুক্ত জীবনে ফিরে আসেন। বর্তমানে তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত।

এই অকপট স্বীকারোক্তি তার ভক্তদের জন্য যেমন বিস্ময়কর, তেমনি সচেতনতার বার্তাও বটে।