শাওনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও গায়িকা মেহের আফরোজ শাওনের বিরুদ্ধে তার সৎমা নিশি ইসলামের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

একই মামলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের (সিটিটিসি) সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নাজমুলের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) আদালত সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মামলায় মঙ্গলবার আদালতে হাজির হয়ে বাড্ডা থানার দুই পুলিশ সদস্য অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, বাড্ডা থানার তৎকালীন ওসির নির্দেশে তারা বাদী নিশি ইসলামকে আটক ও নির্যাতনে অংশ নেন। তবে এদিন শাওন ও সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ বাকি আসামিরা হাজির না হওয়ায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

আদালতের এমন আদেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মামলার বাদী নিশি ইসলাম বলেন, ‘আমরা চাই আসামিদের শাস্তি হোক। শাওন এই মামলায় অনেক প্রভাব বিস্তার করেছে। তিনি আমাদের মারধর করেছেন।’

গত বছরের শুরুর দিকে শাওনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী একটি ম্যারেজ মিডিয়ায় বিয়ের জন্য পাত্রী চাই বিজ্ঞাপন দেন। সেই বিজ্ঞাপন থেকেই নিশির সঙ্গে তার পরিচয় ও বিয়ে হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনা জানার পর বাবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান শাওন। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে সৎ মা নিশিকে ৬ মাস জেল খাটান।

এমন অভিযোগও আছে, বাবাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বানিয়ে কয়েক মাস একটি মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আটকে রেখেছিলেন শাওন। এসব ঘটনার সঙ্গে শাওনের অন্যান্য ভাইবোনও জড়িত বলে সে সময় অভিযোগ করেছিলেন বাদী নিশি ইসলাম।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

শাওনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও গায়িকা মেহের আফরোজ শাওনের বিরুদ্ধে তার সৎমা নিশি ইসলামের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

একই মামলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের (সিটিটিসি) সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নাজমুলের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) আদালত সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মামলায় মঙ্গলবার আদালতে হাজির হয়ে বাড্ডা থানার দুই পুলিশ সদস্য অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, বাড্ডা থানার তৎকালীন ওসির নির্দেশে তারা বাদী নিশি ইসলামকে আটক ও নির্যাতনে অংশ নেন। তবে এদিন শাওন ও সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনসহ বাকি আসামিরা হাজির না হওয়ায় আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

আদালতের এমন আদেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে মামলার বাদী নিশি ইসলাম বলেন, ‘আমরা চাই আসামিদের শাস্তি হোক। শাওন এই মামলায় অনেক প্রভাব বিস্তার করেছে। তিনি আমাদের মারধর করেছেন।’

গত বছরের শুরুর দিকে শাওনের বাবা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী একটি ম্যারেজ মিডিয়ায় বিয়ের জন্য পাত্রী চাই বিজ্ঞাপন দেন। সেই বিজ্ঞাপন থেকেই নিশির সঙ্গে তার পরিচয় ও বিয়ে হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনা জানার পর বাবার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান শাওন। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় সেই প্রভাব খাটিয়ে সৎ মা নিশিকে ৬ মাস জেল খাটান।

এমন অভিযোগও আছে, বাবাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বানিয়ে কয়েক মাস একটি মানসিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আটকে রেখেছিলেন শাওন। এসব ঘটনার সঙ্গে শাওনের অন্যান্য ভাইবোনও জড়িত বলে সে সময় অভিযোগ করেছিলেন বাদী নিশি ইসলাম।