পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে বাঁধনের হুঙ্কার

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক সময়ের সামাজিক অস্থিরতা ও নারীর প্রতি বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ব্যক্ত করছেন প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।

এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বাঁধন লেখেন, “আমি পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বাস করি, কিন্তু আমি সেখানে মরতে রাজি নই।” তার মতে, এমন একটি পৃথিবীতে তিনি বিশ্বাস করেন না যেখানে অধিকারের মানদণ্ড হবে ক্ষমতা, আর স্বাধীনতা থাকবে শর্তসাপেক্ষ।

এই পোস্টে তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রত্যেক মানুষের নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার অধিকার থাকা উচিত—এটি কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।

বাঁধনের এই অবস্থান অনেকে প্রশংসা করলেও, সমালোচনার ঝড়ও বয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু এসবের তোয়াক্কা না করে তিনি এগিয়ে চলেছেন নিজের পথেই।

একটি পূর্ববর্তী স্ট্যাটাসে বাঁধন বলেছিলেন, “আমি কারও নিয়ন্ত্রণে থাকার জন্য আসিনি। আমার জীবন, আমার নিয়ম। কী করব, কীভাবে বাঁচব, তা একমাত্র আমিই ঠিক করি।”

তিনি আরও লেখেন, “আমি শুনি যখন চাই, করি যখন মন চায়। আমাকে নিয়ন্ত্রণ করবে? কখনও না, কোনোদিন না।”

নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাঁধন জানান, এমন একটি পরিবারেই তিনি বড় হয়েছেন যেখানে পিতৃতন্ত্র ছিল প্রকট। তার বাবা নিজেও সেই ব্যবস্থার অংশ ছিলেন।

এই সাহসী কণ্ঠস্বর হয়ে উঠছে অসংখ্য নারীর অনুপ্রেরণা। বাঁধনের মতো তারকাদের এমন অবস্থান কি সমাজে পরিবর্তনের বার্তা বয়ে আনতে পারে?

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে বাঁধনের হুঙ্কার

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

সাম্প্রতিক সময়ের সামাজিক অস্থিরতা ও নারীর প্রতি বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ব্যক্ত করছেন প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর।

এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বাঁধন লেখেন, “আমি পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বাস করি, কিন্তু আমি সেখানে মরতে রাজি নই।” তার মতে, এমন একটি পৃথিবীতে তিনি বিশ্বাস করেন না যেখানে অধিকারের মানদণ্ড হবে ক্ষমতা, আর স্বাধীনতা থাকবে শর্তসাপেক্ষ।

এই পোস্টে তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রত্যেক মানুষের নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার অধিকার থাকা উচিত—এটি কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই।

বাঁধনের এই অবস্থান অনেকে প্রশংসা করলেও, সমালোচনার ঝড়ও বয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু এসবের তোয়াক্কা না করে তিনি এগিয়ে চলেছেন নিজের পথেই।

একটি পূর্ববর্তী স্ট্যাটাসে বাঁধন বলেছিলেন, “আমি কারও নিয়ন্ত্রণে থাকার জন্য আসিনি। আমার জীবন, আমার নিয়ম। কী করব, কীভাবে বাঁচব, তা একমাত্র আমিই ঠিক করি।”

তিনি আরও লেখেন, “আমি শুনি যখন চাই, করি যখন মন চায়। আমাকে নিয়ন্ত্রণ করবে? কখনও না, কোনোদিন না।”

নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাঁধন জানান, এমন একটি পরিবারেই তিনি বড় হয়েছেন যেখানে পিতৃতন্ত্র ছিল প্রকট। তার বাবা নিজেও সেই ব্যবস্থার অংশ ছিলেন।

এই সাহসী কণ্ঠস্বর হয়ে উঠছে অসংখ্য নারীর অনুপ্রেরণা। বাঁধনের মতো তারকাদের এমন অবস্থান কি সমাজে পরিবর্তনের বার্তা বয়ে আনতে পারে?