সংঘর্ষে উত্তপ্ত গলাচিপা, মধ্যরাত পর্যন্ত অবরুদ্ধ নুর

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পাতাবুনিয়া বাজারে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের কর্মীদের মধ্যে একাধিক দফায় সহিংস সংঘর্ষ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম ফাহিম গণমাধ্যমকে জানান, নুরুল হক নুর তখনো এলাকায় অবরুদ্ধ ছিলেন। একই সময়ে নুর ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, “রাত পৌনে ১০টা থেকে ১টা ২৭ মিনিট পর্যন্ত আমি এখনো অবরুদ্ধ। পুলিশ ও সেনাবাহিনী এখনো হামলাকারীদের সরাতে ব্যর্থ। এমন প্রশাসনের অধীনে নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠু হবে?”

ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ অভিযোগ করেন, বিএনপি নেতা হাসান মামুনের অনুসারীরা নুরকে আটকে রাখে। তার ভাষ্য, রাত ১০টার পর থেকে পাতাবুনিয়া বটতলা বাজারে তারা রাস্তায় গাছ ফেলে ও গুলতি, রড, রামদা নিয়ে গণঅধিকার কর্মীদের গতিরোধ করে। হামলাকারীরা স্থানীয় কয়েকজনকে মারধর এবং দুইটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাত ১১টার পরও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও পরিস্থিতি শান্ত করতে পারেনি। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত রাত দেড়টার দিকে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান স্থানীয়রা।

ঘটনার নিন্দা জানিয়ে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই হামলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ এবং প্রশাসনের নির্লিপ্ত ভূমিকা ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য উদ্বেগজনক ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থেকে মামলা বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকাজুড়ে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

সংঘর্ষে উত্তপ্ত গলাচিপা, মধ্যরাত পর্যন্ত অবরুদ্ধ নুর

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পাতাবুনিয়া বাজারে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের কর্মীদের মধ্যে একাধিক দফায় সহিংস সংঘর্ষ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম ফাহিম গণমাধ্যমকে জানান, নুরুল হক নুর তখনো এলাকায় অবরুদ্ধ ছিলেন। একই সময়ে নুর ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, “রাত পৌনে ১০টা থেকে ১টা ২৭ মিনিট পর্যন্ত আমি এখনো অবরুদ্ধ। পুলিশ ও সেনাবাহিনী এখনো হামলাকারীদের সরাতে ব্যর্থ। এমন প্রশাসনের অধীনে নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠু হবে?”

ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ অভিযোগ করেন, বিএনপি নেতা হাসান মামুনের অনুসারীরা নুরকে আটকে রাখে। তার ভাষ্য, রাত ১০টার পর থেকে পাতাবুনিয়া বটতলা বাজারে তারা রাস্তায় গাছ ফেলে ও গুলতি, রড, রামদা নিয়ে গণঅধিকার কর্মীদের গতিরোধ করে। হামলাকারীরা স্থানীয় কয়েকজনকে মারধর এবং দুইটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাত ১১টার পরও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও পরিস্থিতি শান্ত করতে পারেনি। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত রাত দেড়টার দিকে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান স্থানীয়রা।

ঘটনার নিন্দা জানিয়ে গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই হামলা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ এবং প্রশাসনের নির্লিপ্ত ভূমিকা ভবিষ্যৎ নির্বাচনের জন্য উদ্বেগজনক ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থেকে মামলা বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকাজুড়ে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।