সাভারে বাবাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশকে ঘটনা জানান মেয়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাবার মরদেহ উদ্ধারসহ মেয়েটিকে আটক করেছন। বৃহস্পতিবার (৭মে) ভোর চারটার দিকে সাভারের মজিদপুর কাঠালবাগান এলাকায় এঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুর সাত্তার (৫৬) নাটোরের সিংড়া থানার ভগা গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। অভিযুক্ত মেয়ের নাম জান্নাত জাহান শিফা (২৩)। সে নিহত আব্দুর সাত্তারের মেয়ে। আটক মেয়েটির বরাত দিয়ে সাভার মডেল থানার পুলিশ জানায়, মেয়েটি প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর ২০১৯ সাল থেকে বাবা আব্দুস সাত্তার তাকে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করেন। ২০২৩ সালে বাবার বিরুদ্ধে নাটোরে আদালতে মেয়েটি ধর্ষণ মামলা করেন। একপর্যায়ে মেয়ের বিরুদ্ধে চুরির মামলা দেন আব্দুস সাত্তার। একপর্যায়ে তিনি সাভারের মজিদপুর এলাকায় কামরুল ইসলাম সুমন নামের এক ব্যক্তির আবাসিক ভবনে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। কয়েকমাস আগে মেয়েটি বাবার কাছে আসেন। এরপর বাবা মামলা তুলে নিতে মেয়েকে চাপ দিতে থাকেন। ক্ষুব্ধ হয়ে মেয়েটি বাবাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। গতকাল রাতে খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে বাবাকে খাওয়ান তিনি৷ ভোর ৪ টার দিক ছুরিকাঘাত করে বাবাকে হত্যা করে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে হত্যার বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পরে সাভার মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধারসহ মেয়েটি আটক করেন।
সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক ইমরান হোসেন বলেন, ৯৯৯ কল পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিহতের মেয়ে জান্নাতকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের এর প্রস্তুতি চলছে।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মেয়েকেও আটক করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।






