নাসিরনগরে বর্ষবরণের উপস্থাপনায় ছাত্রলীগ কর্মী

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস ডিসির

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ :

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে উপস্থান করেন ছাত্রলীগ কর্মী

ছবি: প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা প্রশাসনের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মীকে দিয়ে উপস্থাপনা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সর্বত্র সমালোচনার ঝড় উঠলেও নাসিরনগরের এসিল্যান্ড কাজী রবিউস সারোয়ার ভিন্ন মত পোষণ করেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও “কিছু যায় আসে না” বলে মন্তব্য করেছেন। তবে জেলা প্রশাসক বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন। তাৎক্ষণিক সমালোচনার মুখে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটি সংক্ষিপ্ত করতে বাধ্য হয় উপজেলা প্রশাসন।
অভিযোগ উঠেছে, পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন শাকিলের ব্যক্তিগত পছন্দেই ওই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ কর্মীকে উপস্থাপক করা হয়েছে। তার নাম দিদার হোসেন। সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর থেকে দিদারের ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনা নাছরিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী রবিউস সারোয়ার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম. এ. হান্নান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন শাকিল, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহিমুল আরেফিন, শিক্ষা কর্মকর্তা ইসহাক মিয়াসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সংস্কৃতি কর্মী নিহারেন্দু চক্রবর্তী তার ফেসবুকে লিখেন, সকালে উঠেই একজনের ফেসবুক ষ্ট্যাটাস চোখে পড়লো। ওই লোক লিখেছে “ফ্যাসিষ্টমুক্ত প্রথম বৈশাখ” একটা লাইক দিয়েছিলাম। এর কিছুক্ষণ পর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে দেখলাম ঐ লোকের লেখায় ভুল ছিল। দেখলাম প্রশাসন আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানের মূল উপস্থাপক দিদার নামে একটি ছেলে। সে শুধু ফ্যাসিষ্টের দোসর বললে ভুল হবে। সে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একজন কর্মী।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন শাকিল বলেন, আমরা তার রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানতাম না। ছাত্রলীগের মিছিলে তার ভিডিও দেখার পর তাকে আর উপস্থাপনা করতে দেওয়া হয়নি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলন বলেন, প্রশাসনের বর্ষবরণে অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ কর্মীর উপস্থাপনার বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

নাসিরনগরে বর্ষবরণের উপস্থাপনায় ছাত্রলীগ কর্মী

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস ডিসির

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

প্রকাশ :

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে উপস্থান করেন ছাত্রলীগ কর্মী

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা প্রশাসনের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মীকে দিয়ে উপস্থাপনা করা হয়েছে। এ ঘটনায় সর্বত্র সমালোচনার ঝড় উঠলেও নাসিরনগরের এসিল্যান্ড কাজী রবিউস সারোয়ার ভিন্ন মত পোষণ করেছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও “কিছু যায় আসে না” বলে মন্তব্য করেছেন। তবে জেলা প্রশাসক বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন। তাৎক্ষণিক সমালোচনার মুখে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানটি সংক্ষিপ্ত করতে বাধ্য হয় উপজেলা প্রশাসন।
অভিযোগ উঠেছে, পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন শাকিলের ব্যক্তিগত পছন্দেই ওই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ কর্মীকে উপস্থাপক করা হয়েছে। তার নাম দিদার হোসেন। সোমবার সকালে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর থেকে দিদারের ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনা নাছরিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী রবিউস সারোয়ার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম. এ. হান্নান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন শাকিল, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফাহিমুল আরেফিন, শিক্ষা কর্মকর্তা ইসহাক মিয়াসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সংস্কৃতি কর্মী নিহারেন্দু চক্রবর্তী তার ফেসবুকে লিখেন, সকালে উঠেই একজনের ফেসবুক ষ্ট্যাটাস চোখে পড়লো। ওই লোক লিখেছে “ফ্যাসিষ্টমুক্ত প্রথম বৈশাখ” একটা লাইক দিয়েছিলাম। এর কিছুক্ষণ পর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে দেখলাম ঐ লোকের লেখায় ভুল ছিল। দেখলাম প্রশাসন আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানের মূল উপস্থাপক দিদার নামে একটি ছেলে। সে শুধু ফ্যাসিষ্টের দোসর বললে ভুল হবে। সে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একজন কর্মী।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন শাকিল বলেন, আমরা তার রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানতাম না। ছাত্রলীগের মিছিলে তার ভিডিও দেখার পর তাকে আর উপস্থাপনা করতে দেওয়া হয়নি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলন বলেন, প্রশাসনের বর্ষবরণে অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগ কর্মীর উপস্থাপনার বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।