‘আওয়ামী লীগ ব্যান না হলে, শাহবাগ ছাড়বো না’

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র শাহবাগ মোড় এখন উত্তাল বিক্ষোভে। একটাই দাবি—আওয়ামী লীগকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে। আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দলটির বিরুদ্ধে প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত তারা একচুলও নড়বেন না।

শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর থেকেই শাহবাগে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। মুহূর্তেই রাজপথ গর্জে ওঠে—‘ব্যান করো, ব্যান করো, আওয়ামী লীগ ব্যান করো’, ‘খুনি লীগের ঠিকানা এ বাংলায় হবে না’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’—এর মতো ধ্বনিতে।

জরুরি সেবার যানবাহন ছাড়া সব ধরনের যান চলাচল কার্যত বন্ধ। এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেন, “বাংলাদেশের অগ্রগতি সেদিনই শুরু হবে, যেদিন দেশ হবে আওয়ামী লীগমুক্ত। এখন সময় এসেছে শাহবাগ অবরোধের।”

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কানে তাদের আর্তনাদ পৌঁছাচ্ছে না। তারা আহতদের কথা শুনছে না, বিচারহীনতার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তাই তারা রাস্তা ছেড়ে যাবে না যতক্ষণ না আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে সরকার গেজেট প্রকাশ করে।

এ মুহূর্তে শাহবাগ শুধু একটি মোড় নয়—এটি রূপ নিয়েছে ‘বিক্ষোভের ব্যারিকেডে’। রাজনৈতিক লড়াইয়ের নতুন মঞ্চে যেন শুরু হয়েছে এক অভূতপূর্ব গণআন্দোলন।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

‘আওয়ামী লীগ ব্যান না হলে, শাহবাগ ছাড়বো না’

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র শাহবাগ মোড় এখন উত্তাল বিক্ষোভে। একটাই দাবি—আওয়ামী লীগকে অবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে। আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, দলটির বিরুদ্ধে প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত তারা একচুলও নড়বেন না।

শুক্রবার মাগরিবের নামাজের পর থেকেই শাহবাগে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। মুহূর্তেই রাজপথ গর্জে ওঠে—‘ব্যান করো, ব্যান করো, আওয়ামী লীগ ব্যান করো’, ‘খুনি লীগের ঠিকানা এ বাংলায় হবে না’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে’—এর মতো ধ্বনিতে।

জরুরি সেবার যানবাহন ছাড়া সব ধরনের যান চলাচল কার্যত বন্ধ। এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ এক সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেন, “বাংলাদেশের অগ্রগতি সেদিনই শুরু হবে, যেদিন দেশ হবে আওয়ামী লীগমুক্ত। এখন সময় এসেছে শাহবাগ অবরোধের।”

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কানে তাদের আর্তনাদ পৌঁছাচ্ছে না। তারা আহতদের কথা শুনছে না, বিচারহীনতার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তাই তারা রাস্তা ছেড়ে যাবে না যতক্ষণ না আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করে সরকার গেজেট প্রকাশ করে।

এ মুহূর্তে শাহবাগ শুধু একটি মোড় নয়—এটি রূপ নিয়েছে ‘বিক্ষোভের ব্যারিকেডে’। রাজনৈতিক লড়াইয়ের নতুন মঞ্চে যেন শুরু হয়েছে এক অভূতপূর্ব গণআন্দোলন।