দেশের অর্থনীতি চরম দুরবস্থার দিকে এগোচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক চিত্রে এখন দুর্ভিক্ষের আলামত স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন।
শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। সরকারবিরোধী নানা ইস্যুতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে রিজভী বলেন, “জনগণ যদি নির্বাচনের মাধ্যমে তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পায়, তাহলে অর্থনৈতিক সংকটসহ সকল সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।”
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন, “জনগণ এখন বেকার, পকেটে টাকা নেই, পেট ভরছে না—এই অবস্থায় যদি দুর্ভিক্ষের বাস্তবতা তৈরি হয়, তাহলে মানুষ আর কাউকে ছেড়ে কথা বলবে না। ক্ষোভ-প্রতিশোধের বহিঃপ্রকাশ ঠেকানো কঠিন হবে।”
রিজভী অভিযোগ করেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে। বিনিয়োগ নেই, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নেই, বাজারে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। কৃষক, শ্রমিক, মধ্যবিত্ত—সবার জীবন আজ বিপন্ন।
তিনি বলেন, “সরকার একটি ভোটারবিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় এসেছে। ফলে তাদের কোনও জবাবদিহিতা নেই, জনগণের কষ্ট তাদের স্পর্শ করে না। তাই এখনই সময় নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ম্যান্ডেট ফেরত দেওয়ার।”
রিজভীর ভাষণে স্পষ্টভাবে উঠে আসে, বিএনপি নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সমাধান চায় এবং তা না হলে দেশের সামনে অন্ধকার ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে বলে তারা মনে করছে।






