সব পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পাশে থাকবে চীন: কনসাল জেনারেল

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

জম্মু ও কাশ্মিরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এমন সংকটময় মুহূর্তে পাকিস্তানের প্রতি চীনের অকুণ্ঠ সমর্থনের বার্তা দিল বেইজিং। লাহোরে চীনের কনসাল জেনারেল ঝাও শিরেন স্পষ্ট জানিয়েছেন, “সব পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পাশে থাকবে চীন।”

পাকিস্তানি গণমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল জানায়, পিপিপি’র কেন্দ্রীয় পাঞ্জাব শাখার নেতাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই মন্তব্য করেন কনসাল জেনারেল ঝাও। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় দলের অর্থ সম্পাদক আহমাদ জাওয়াদ রানার বাসভবনে।

ঝাও বলেন, “চীন-পাকিস্তান সম্পর্ক শুধু কৌশলগত নয়, বরং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা কাঠামোতেও গভীরভাবে যুক্ত। পাকিস্তান চীনের জন্য কেবল প্রতিবেশী নয়, একটি পরীক্ষিত বন্ধু।” তিনি আরও বলেন, “চীন অতীতেও পাকিস্তানের পাশে ছিল, এখনো আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।”

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়। ভারত ও পাকিস্তানের উচিত শান্তিপূর্ণ সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খোঁজা।”

প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নানা ইস্যুতে খোলামেলা আলোচনা হয়। ঝাও জানান, “চীনা জনগণের হৃদয়ে পাকিস্তানের জন্য রয়েছে গভীর ভালোবাসা, এবং পাকিস্তানিরাও চীনকে একই শ্রদ্ধা ও সম্মান দিয়ে দেখে।”

বৈঠকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে ঝাও শিরেন চীন-পাকিস্তান বন্ধুত্বকে ‘চিরকালীন ও অটুট’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “এই সম্পর্ক সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

সব পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পাশে থাকবে চীন: কনসাল জেনারেল

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

সংগৃহীত

জম্মু ও কাশ্মিরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এমন সংকটময় মুহূর্তে পাকিস্তানের প্রতি চীনের অকুণ্ঠ সমর্থনের বার্তা দিল বেইজিং। লাহোরে চীনের কনসাল জেনারেল ঝাও শিরেন স্পষ্ট জানিয়েছেন, “সব পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পাশে থাকবে চীন।”

পাকিস্তানি গণমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল জানায়, পিপিপি’র কেন্দ্রীয় পাঞ্জাব শাখার নেতাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই মন্তব্য করেন কনসাল জেনারেল ঝাও। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় দলের অর্থ সম্পাদক আহমাদ জাওয়াদ রানার বাসভবনে।

ঝাও বলেন, “চীন-পাকিস্তান সম্পর্ক শুধু কৌশলগত নয়, বরং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা কাঠামোতেও গভীরভাবে যুক্ত। পাকিস্তান চীনের জন্য কেবল প্রতিবেশী নয়, একটি পরীক্ষিত বন্ধু।” তিনি আরও বলেন, “চীন অতীতেও পাকিস্তানের পাশে ছিল, এখনো আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।”

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়। ভারত ও পাকিস্তানের উচিত শান্তিপূর্ণ সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খোঁজা।”

প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নানা ইস্যুতে খোলামেলা আলোচনা হয়। ঝাও জানান, “চীনা জনগণের হৃদয়ে পাকিস্তানের জন্য রয়েছে গভীর ভালোবাসা, এবং পাকিস্তানিরাও চীনকে একই শ্রদ্ধা ও সম্মান দিয়ে দেখে।”

বৈঠকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে ঝাও শিরেন চীন-পাকিস্তান বন্ধুত্বকে ‘চিরকালীন ও অটুট’ আখ্যা দিয়ে বলেন, “এই সম্পর্ক সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।