শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় শ্বশুর হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

মাগুরায় আট বছর বয়সী শিশু আছিয়া আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযুক্ত আরও তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৭ মে) সকালে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নাজমুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি হিটু শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সাহাবাজপুর গ্রামে বোনের বাড়িতে বেড়াতে যায় শিশু আছিয়া। সেদিন দুপুরে ঘরের বাইরে খেলা করার সময় হঠাৎ নিখোঁজ হয় সে। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করে একপর্যায়ে পাশের একটি ধানক্ষেতে আছিয়ার মরদেহ খুঁজে পায়। পরে ময়নাতদন্তে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় একটি হত্যা ও ধর্ষণ মামলা করেন। মামলায় স্থানীয় হিটু শেখসহ চারজনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ হিটু শেখের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার প্রমাণ পায় এবং তাকে প্রধান আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত শনিবার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত শিশুর পরিবার। আছিয়ার মা বলেন, “আমার মেয়ের আত্মা আজ শান্তি পাবে। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। আশা করি উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।”

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম বলেন, “এই রায় শিশু নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না।”

তবে খালাস পাওয়া তিনজনের বিষয়ে আদালত বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের সরাসরি কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাই তারা সন্দেহের সুফল পেয়েছেন।

রায় ঘোষণার পর হিটু শেখকে পুলিশি পাহারায় কারাগারে নেওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় শ্বশুর হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

মাগুরায় আট বছর বয়সী শিশু আছিয়া আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযুক্ত আরও তিনজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৭ মে) সকালে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. নাজমুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি হিটু শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সাহাবাজপুর গ্রামে বোনের বাড়িতে বেড়াতে যায় শিশু আছিয়া। সেদিন দুপুরে ঘরের বাইরে খেলা করার সময় হঠাৎ নিখোঁজ হয় সে। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করে একপর্যায়ে পাশের একটি ধানক্ষেতে আছিয়ার মরদেহ খুঁজে পায়। পরে ময়নাতদন্তে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় একটি হত্যা ও ধর্ষণ মামলা করেন। মামলায় স্থানীয় হিটু শেখসহ চারজনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ হিটু শেখের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার প্রমাণ পায় এবং তাকে প্রধান আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে আদালত শনিবার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত শিশুর পরিবার। আছিয়ার মা বলেন, “আমার মেয়ের আত্মা আজ শান্তি পাবে। আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। আশা করি উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।”

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম বলেন, “এই রায় শিশু নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না।”

তবে খালাস পাওয়া তিনজনের বিষয়ে আদালত বলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের সরাসরি কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাই তারা সন্দেহের সুফল পেয়েছেন।

রায় ঘোষণার পর হিটু শেখকে পুলিশি পাহারায় কারাগারে নেওয়া হয়।