গাজায় নিহত আরও ৬০ ফিলিস্তিনি

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় একদিনে অন্তত ৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ১৫২ জন। সর্বশেষ এই হামলাগুলোর পর গাজায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৩৫০ জনেরও বেশি।

আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার বোমা বর্ষণে হতাহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

গাজার সিভিল ডিফেন্স ও স্থানীয় চিকিৎসকদের তথ্যমতে, উত্তর গাজার জাবালিয়া এলাকায় একই পরিবারের ১২ সদস্য ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা ৫১ হাজার ৩৫৫ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গতকালকের হামলায় আহত ১৫২ জনকে গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগ্রাসনের শুরু থেকে মোট আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ২৪৮ জন। বহু মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন কিংবা রাস্তায় পড়ে আছেন, যাদের কাছে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারেননি।

টানা ১৫ মাসের যুদ্ধের পর চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক মহলের চাপে ইসরায়েল সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। তবে মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে হামাসের সঙ্গে মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে ইসরায়েল ফের গাজায় হামলা শুরু করে, যা এখনো চলছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ১৮ মার্চ থেকে শুরু হওয়া নতুন দফার হামলায় আরও ২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ৫ হাজার ২০০ জনের বেশি।

জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। উপত্যকাটির ৬০ শতাংশ অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর আগে, গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

এছাড়া, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলাও চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

গাজায় নিহত আরও ৬০ ফিলিস্তিনি

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

সংগৃহীত

ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় একদিনে অন্তত ৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ১৫২ জন। সর্বশেষ এই হামলাগুলোর পর গাজায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৩৫০ জনেরও বেশি।

আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে শুক্রবার পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার বোমা বর্ষণে হতাহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

গাজার সিভিল ডিফেন্স ও স্থানীয় চিকিৎসকদের তথ্যমতে, উত্তর গাজার জাবালিয়া এলাকায় একই পরিবারের ১২ সদস্য ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন।

বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা ৫১ হাজার ৩৫৫ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গতকালকের হামলায় আহত ১৫২ জনকে গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগ্রাসনের শুরু থেকে মোট আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ২৪৮ জন। বহু মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন কিংবা রাস্তায় পড়ে আছেন, যাদের কাছে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারেননি।

টানা ১৫ মাসের যুদ্ধের পর চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক মহলের চাপে ইসরায়েল সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। তবে মার্চের তৃতীয় সপ্তাহে হামাসের সঙ্গে মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে ইসরায়েল ফের গাজায় হামলা শুরু করে, যা এখনো চলছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ১৮ মার্চ থেকে শুরু হওয়া নতুন দফার হামলায় আরও ২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ৫ হাজার ২০০ জনের বেশি।

জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। উপত্যকাটির ৬০ শতাংশ অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর আগে, গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

এছাড়া, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার মামলাও চলছে।