কাউকে রেহাই দেওয়া হয়নি, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক নিয়ে ছড়িয়ে পড়া নানা গুজবের জবাবে সাফ কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—”কারও জন্যই ছাড় দেওয়া হয়নি।” তিনি স্পষ্ট করেছেন, চীনা ইলেকট্রনিক পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক এখনো বহাল রয়েছে, শুধু তা নতুন শুল্ক শ্রেণিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “শুক্রবার কোনো শুল্ক অব্যাহতির ঘোষণা দিইনি। চীনের যেসব ইলেকট্রনিক পণ্যে আগে থেকেই ২০ শতাংশ শুল্ক ছিল, তা এখনো বহাল রয়েছে। এসব শুল্ক মূলত ফেন্টানাইল-সম্পর্কিত হুমকির প্রেক্ষাপটে আরোপ করা হয়েছে।”

মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, চীনের কিছু প্রতিষ্ঠান জেনে-বুঝেই এমন গোষ্ঠীকে উপকরণ সরবরাহ করছে, যারা মারাত্মক মাদক ফেন্টানাইল তৈরি করে—যার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ মাদক সংকট তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প আরও জানান, জাতীয় নিরাপত্তা ও বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে আধুনিক প্রযুক্তিপণ্য—বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর এবং ইলেকট্রনিক সরবরাহব্যবস্থার ওপর নতুন করে তদন্ত চালানো হবে।

তার ভাষায়, “আমাদের নিজেদের দেশে উৎপাদনে জোর দেওয়া জরুরি। চীনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী বাণিজ্যিক শক্তির কাছে জিম্মি হয়ে থাকা চলবে না।”

এর আগে বুধবার ট্রাম্প ঘোষণা দেন, চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক ১২৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। পরে তার প্রশাসন জানায়, এই নতুন হারে পূর্বের ২০ শতাংশও অন্তর্ভুক্ত, ফলে মোট শুল্ক দাঁড়ায় ১৪৫ শতাংশে।

তবে পরবর্তীতে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, চীনের কিছু কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক যন্ত্র শুল্ক ছাড় পেয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসব গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

কাউকে রেহাই দেওয়া হয়নি, হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

সংগৃহীত

শুল্ক নিয়ে ছড়িয়ে পড়া নানা গুজবের জবাবে সাফ কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—”কারও জন্যই ছাড় দেওয়া হয়নি।” তিনি স্পষ্ট করেছেন, চীনা ইলেকট্রনিক পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক এখনো বহাল রয়েছে, শুধু তা নতুন শুল্ক শ্রেণিতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “শুক্রবার কোনো শুল্ক অব্যাহতির ঘোষণা দিইনি। চীনের যেসব ইলেকট্রনিক পণ্যে আগে থেকেই ২০ শতাংশ শুল্ক ছিল, তা এখনো বহাল রয়েছে। এসব শুল্ক মূলত ফেন্টানাইল-সম্পর্কিত হুমকির প্রেক্ষাপটে আরোপ করা হয়েছে।”

মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, চীনের কিছু প্রতিষ্ঠান জেনে-বুঝেই এমন গোষ্ঠীকে উপকরণ সরবরাহ করছে, যারা মারাত্মক মাদক ফেন্টানাইল তৈরি করে—যার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ মাদক সংকট তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্প আরও জানান, জাতীয় নিরাপত্তা ও বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে আধুনিক প্রযুক্তিপণ্য—বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর এবং ইলেকট্রনিক সরবরাহব্যবস্থার ওপর নতুন করে তদন্ত চালানো হবে।

তার ভাষায়, “আমাদের নিজেদের দেশে উৎপাদনে জোর দেওয়া জরুরি। চীনের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী বাণিজ্যিক শক্তির কাছে জিম্মি হয়ে থাকা চলবে না।”

এর আগে বুধবার ট্রাম্প ঘোষণা দেন, চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক ১২৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। পরে তার প্রশাসন জানায়, এই নতুন হারে পূর্বের ২০ শতাংশও অন্তর্ভুক্ত, ফলে মোট শুল্ক দাঁড়ায় ১৪৫ শতাংশে।

তবে পরবর্তীতে গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, চীনের কিছু কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক যন্ত্র শুল্ক ছাড় পেয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসব গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন।