মারমাদের জলকেলি উৎসব ঠেকাতে মরিয়া পিসিজেএসএস’র সশস্ত্র গ্রুপ

রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশ :

ছবি: ফাইল ছবি

 

 

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি। গত এক সপ্তাহ ধরে পাহাড়ের আনাচে-কানাচে উৎসবে মেতে আছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠি। মারমা সম্প্রদায়ের সাংক্রান বা জলোৎসবের মধ্যে দিয়ে এ উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
আজ বুধবার (১৬এপ্রিল) রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ‘আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের পরিচয়’ এই প্রতিপাদ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই জলোৎসব ঘিরে সবচেয়ে বেশি জমায়েত করার প্রত্যাশা ও পার্বত্য জনপদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠির নিজ নিজ ভাষা, সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ঐতিহ্য দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে প্রতিবারের ন্যায় এবারও মারমা সংস্কৃতিক সংস্থা (মাসস) নানা আয়োজন করতে যাচ্ছে।

এই  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন, ৩০৫ পদাতিক ডিভিশনের  রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক।

সাংগ্রাই উদযাপন কমিটির সভাপতি মংসুইপ্রু মারমার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি থাকবেন, লে. কর্ণেল মাহাতাব খান, লে. কর্ণেল কাওসার মেহেদী, লেঃ কর্ণেল জুনাঈদ উদ্দীন চৌধুরী,লেঃ কর্নেল এস এম মাহমুদ হাসান সোহাগ,  মেজর মো: আসফিকুর রহমান , জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ  হাবিবুল্লাহ  মারুফ,পুলিশ সুপার ড. এস এস ফরহাদ হোসেনসহ  বিশিষ্টজনরা।

তবে গতকাল মঙ্গলবার (15 এপ্রিল) বিকেল থেকে হঠাৎ করে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস)  সশস্ত্র গ্রুপ ওই উপজেলার তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন স্ব-স্ব এলাকায়  মাইকিং করছে যাতে উক্ত অনুষ্ঠানে না যেতে। এ ঘটনা চারদিক জানাজানি হলে মারমা সম্প্রদদায়ের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। অনেকে ভয় পাচ্ছে অনুষ্ঠানে যেতে।

তবে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে অনুষ্ঠানস্থলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।

সাংগ্রাই উদযাপন কমিটির সভাপতি মংসুইপ্রু মারমা বলেন, আমরা এ উৎসবটি পালন করতে সব রকম কাজ শেষ করে ফেলেছি। অনেক কিছু শুনছি। তবে আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোন কমতি রাখছি না। পুরো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তদারকি করছে।
তবে এ ঘটনা সম্পর্কে জানতে পিসিজেএসএস’র কোন নেতা বা সশস্ত্র গ্রুপ কমান্ডারের কারো কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

মারমাদের জলকেলি উৎসব ঠেকাতে মরিয়া পিসিজেএসএস’র সশস্ত্র গ্রুপ

রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশ :

ফাইল ছবি

 

 

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি। গত এক সপ্তাহ ধরে পাহাড়ের আনাচে-কানাচে উৎসবে মেতে আছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠি। মারমা সম্প্রদায়ের সাংক্রান বা জলোৎসবের মধ্যে দিয়ে এ উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
আজ বুধবার (১৬এপ্রিল) রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ‘আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের পরিচয়’ এই প্রতিপাদ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সাংগ্রাই জলোৎসব ঘিরে সবচেয়ে বেশি জমায়েত করার প্রত্যাশা ও পার্বত্য জনপদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠির নিজ নিজ ভাষা, সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ঐতিহ্য দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে প্রতিবারের ন্যায় এবারও মারমা সংস্কৃতিক সংস্থা (মাসস) নানা আয়োজন করতে যাচ্ছে।

এই  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন, ৩০৫ পদাতিক ডিভিশনের  রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক।

সাংগ্রাই উদযাপন কমিটির সভাপতি মংসুইপ্রু মারমার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি থাকবেন, লে. কর্ণেল মাহাতাব খান, লে. কর্ণেল কাওসার মেহেদী, লেঃ কর্ণেল জুনাঈদ উদ্দীন চৌধুরী,লেঃ কর্নেল এস এম মাহমুদ হাসান সোহাগ,  মেজর মো: আসফিকুর রহমান , জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ  হাবিবুল্লাহ  মারুফ,পুলিশ সুপার ড. এস এস ফরহাদ হোসেনসহ  বিশিষ্টজনরা।

তবে গতকাল মঙ্গলবার (15 এপ্রিল) বিকেল থেকে হঠাৎ করে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস)  সশস্ত্র গ্রুপ ওই উপজেলার তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন স্ব-স্ব এলাকায়  মাইকিং করছে যাতে উক্ত অনুষ্ঠানে না যেতে। এ ঘটনা চারদিক জানাজানি হলে মারমা সম্প্রদদায়ের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। অনেকে ভয় পাচ্ছে অনুষ্ঠানে যেতে।

তবে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে অনুষ্ঠানস্থলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।

সাংগ্রাই উদযাপন কমিটির সভাপতি মংসুইপ্রু মারমা বলেন, আমরা এ উৎসবটি পালন করতে সব রকম কাজ শেষ করে ফেলেছি। অনেক কিছু শুনছি। তবে আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোন কমতি রাখছি না। পুরো এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তদারকি করছে।
তবে এ ঘটনা সম্পর্কে জানতে পিসিজেএসএস’র কোন নেতা বা সশস্ত্র গ্রুপ কমান্ডারের কারো কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।