জামায়াত নেতা আজহার অবশেষে মুক্ত জীবনে

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম।

বুধবার (২৮ মে) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। ওই সময় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। মুক্তির পরপরই একটি কালো রঙের গাড়িতে করে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে আনা হয়।

আজহারের সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। সেখান থেকে সরাসরি তাকে শাহবাগ চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে জামায়াতের পক্ষ থেকে তার জন্য একটি গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সেখানে একটি মঞ্চও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে দলটির সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২৭ মে) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে আজহারুল ইসলামকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করে তাকে খালাস দেন।

রায় ঘোষণার পর রাতেই তার মুক্তির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রায়ের অনুলিপি পাঠানো হয় পিজি হাসপাতালে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে কারা কর্তৃপক্ষ মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

ঢাকা বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, “সকাল ৯টা ৫ মিনিটে আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।”

এক সময় যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই রাজনৈতিক নেতা এখন মুক্ত জীবনে ফিরলেন। তবে তার মুক্তিকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন আলোচনা, তেমনি নানা প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

জামায়াত নেতা আজহার অবশেষে মুক্ত জীবনে

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম।

বুধবার (২৮ মে) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে তিনি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। ওই সময় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। মুক্তির পরপরই একটি কালো রঙের গাড়িতে করে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে আনা হয়।

আজহারের সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান। সেখান থেকে সরাসরি তাকে শাহবাগ চত্বরে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে জামায়াতের পক্ষ থেকে তার জন্য একটি গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সেখানে একটি মঞ্চও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে দলটির সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২৭ মে) সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে আজহারুল ইসলামকে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করে তাকে খালাস দেন।

রায় ঘোষণার পর রাতেই তার মুক্তির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে রায়ের অনুলিপি পাঠানো হয় পিজি হাসপাতালে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে কারা কর্তৃপক্ষ মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

ঢাকা বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) মো. জাহাঙ্গীর কবির জানান, “সকাল ৯টা ৫ মিনিটে আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।”

এক সময় যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই রাজনৈতিক নেতা এখন মুক্ত জীবনে ফিরলেন। তবে তার মুক্তিকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন আলোচনা, তেমনি নানা প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে।