ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালতে মামলা হয়েছে। ‘লিবার্টি জাস্টিস সেন্টার’ নামের একটি আইনি সহায়তা সংস্থা এই মামলা দায়ের করেছে। তারা বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে গেছেন।

মামলাটি করা হয়েছে পাঁচটি ক্ষতিগ্রস্ত আমদানিকারক মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে। এসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করে যেগুলোর ওপর ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসার মধ্যে রয়েছে নিউ ইয়র্কের একটি মদ ও স্পিরিট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, একটি স্পোর্ট ফিশিং যন্ত্রপাতি বিক্রেতা ই-কমার্স কোম্পানি, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান থেকে আমদানি করা রজন দিয়ে তৈরি পাইপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, ভার্জিনিয়ার একটি ইলেকট্রনিক কিট ও বাদ্যযন্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এবং ভেরমন্টের নারীদের সাইক্লিং পোশাক প্রস্তুতকারী একটি সংস্থা।

২ এপ্রিল ঘোষিত নতুন শুল্ক ছাড়াও, চীনের ওপর আলাদা করে আরোপিত শুল্ককেও মামলায় চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। লিবার্টি জাস্টিস সেন্টারের সিনিয়র আইনজীবী জেফ্রি শোয়াব বলেছেন, ‘‘একজন ব্যক্তির হাতে এমন কর আরোপের ক্ষমতা থাকা উচিত নয়, যার ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।’’

অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র হ্যারিসন ফিল্ডস বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুল্কনীতি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। চীন এরই মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও চুম্বক পদার্থ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। এসব পদার্থের ওপর মার্কিন সামরিক ও প্রযুক্তি খাত ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নিষেধাজ্ঞা মার্কিন সামরিক কর্মসূচির জন্য হুমকি হতে পারে। যুদ্ধবিমান, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, বৈদ্যুতিক ড্রোন এবং মোটরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক যন্ত্রাংশে চীনের বিরল খনিজ পদার্থের বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা

প্রকাশ :

সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আদালতে মামলা হয়েছে। ‘লিবার্টি জাস্টিস সেন্টার’ নামের একটি আইনি সহায়তা সংস্থা এই মামলা দায়ের করেছে। তারা বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে গেছেন।

মামলাটি করা হয়েছে পাঁচটি ক্ষতিগ্রস্ত আমদানিকারক মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে। এসব প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করে যেগুলোর ওপর ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসার মধ্যে রয়েছে নিউ ইয়র্কের একটি মদ ও স্পিরিট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান, একটি স্পোর্ট ফিশিং যন্ত্রপাতি বিক্রেতা ই-কমার্স কোম্পানি, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান থেকে আমদানি করা রজন দিয়ে তৈরি পাইপ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, ভার্জিনিয়ার একটি ইলেকট্রনিক কিট ও বাদ্যযন্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এবং ভেরমন্টের নারীদের সাইক্লিং পোশাক প্রস্তুতকারী একটি সংস্থা।

২ এপ্রিল ঘোষিত নতুন শুল্ক ছাড়াও, চীনের ওপর আলাদা করে আরোপিত শুল্ককেও মামলায় চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। লিবার্টি জাস্টিস সেন্টারের সিনিয়র আইনজীবী জেফ্রি শোয়াব বলেছেন, ‘‘একজন ব্যক্তির হাতে এমন কর আরোপের ক্ষমতা থাকা উচিত নয়, যার ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।’’

অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র হ্যারিসন ফিল্ডস বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুল্কনীতি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থেই নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ট্রাম্পের শুল্কনীতিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। চীন এরই মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও চুম্বক পদার্থ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। এসব পদার্থের ওপর মার্কিন সামরিক ও প্রযুক্তি খাত ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নিষেধাজ্ঞা মার্কিন সামরিক কর্মসূচির জন্য হুমকি হতে পারে। যুদ্ধবিমান, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, বৈদ্যুতিক ড্রোন এবং মোটরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক যন্ত্রাংশে চীনের বিরল খনিজ পদার্থের বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন।