নির্বাচন আদায়ে আন্দোলনের প্রয়োজন নেই: বিএনপি

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনের রোডম্যাপ চেয়েও ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি। ফলে দলটি আন্দোলনে নামবে কি না—এ নিয়ে নানা জল্পনা দেখা গেলেও সেই সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও লিয়াজোঁ কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, “এই সরকারকে আমরাই ক্ষমতায় বসিয়েছি। সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রয়োজন নেই।”

শনিবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির পক্ষে লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বৈঠকে অংশ নেন।
অন্যদিকে ১২ দলীয় জোটের শরিকদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামান হায়দার, এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (একাংশ)-এর মহাসচিব গোলাম মহিউদ্দীন ইকরামসহ আরও অনেকে।

বৈঠক শেষে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “বহু বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করার কারণে রাজনৈতিকভাবে আমাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। সেজন্যই ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছি। কিছুদিন আগে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আমাদের যে আলোচনা হয়েছে, তা সহযোগীদের জানানো আমাদের দায়িত্ব।”

নির্বাচন আয়োজন প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা জানান, “সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনায় জানিয়েছে—ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। যদিও পরে এ সময়সীমা জুন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। কিন্তু ডিসেম্বরেও নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী সব শক্তির সঙ্গে আলোচনা করে ঐকমত্যে পৌঁছাতে চাই। যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে, তাদের বিচার ও অপসারণ নিয়েই মূলত আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।”

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ‘এক দলকে সরিয়ে আরেক দলকে বসানোর জন্য গণঅভ্যুত্থান হয়নি’—এই মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করলে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “তারা কি চায়? একটি দল যাবে না অন্য কেউ আসবে? তারা আসলে কী বোঝাতে চাচ্ছেন?”

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

নির্বাচন আদায়ে আন্দোলনের প্রয়োজন নেই: বিএনপি

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনের রোডম্যাপ চেয়েও ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি। ফলে দলটি আন্দোলনে নামবে কি না—এ নিয়ে নানা জল্পনা দেখা গেলেও সেই সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও লিয়াজোঁ কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, “এই সরকারকে আমরাই ক্ষমতায় বসিয়েছি। সুতরাং তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রয়োজন নেই।”

শনিবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির পক্ষে লিয়াজোঁ কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বৈঠকে অংশ নেন।
অন্যদিকে ১২ দলীয় জোটের শরিকদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামান হায়দার, এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (একাংশ)-এর মহাসচিব গোলাম মহিউদ্দীন ইকরামসহ আরও অনেকে।

বৈঠক শেষে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “বহু বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করার কারণে রাজনৈতিকভাবে আমাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। সেজন্যই ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছি। কিছুদিন আগে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আমাদের যে আলোচনা হয়েছে, তা সহযোগীদের জানানো আমাদের দায়িত্ব।”

নির্বাচন আয়োজন প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা জানান, “সরকার আমাদের সঙ্গে আলোচনায় জানিয়েছে—ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। যদিও পরে এ সময়সীমা জুন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। কিন্তু ডিসেম্বরেও নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা আছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা ফ্যাসিবাদবিরোধী সব শক্তির সঙ্গে আলোচনা করে ঐকমত্যে পৌঁছাতে চাই। যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে, তাদের বিচার ও অপসারণ নিয়েই মূলত আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।”

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ‘এক দলকে সরিয়ে আরেক দলকে বসানোর জন্য গণঅভ্যুত্থান হয়নি’—এই মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করলে নজরুল ইসলাম খান বলেন, “তারা কি চায়? একটি দল যাবে না অন্য কেউ আসবে? তারা আসলে কী বোঝাতে চাচ্ছেন?”