গাজীপুরে কারখানার শ্রমিকরা মঙ্গলবার বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাসের দাবিতে বিক্ষোভ. মহাসড়ক অবরোধ করেছে। খাদ্য উৎপাদানকারী কারখানার শ্রমিকদের অবরোধে মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দিলে আধাঘন্টা পর ওই মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়।
শিল্প পুলিশ, শ্রমিক ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর সদর উপজেলার হোতাপাড়া এলাকায় ফু-ওয়াং ফুড লিমিটেড কারখানায় ৬৫০ শ্রমিক কাজ করেন। চলতি মাসের ১৭ দিন অতিবাহিত হলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তাদের গত ফেব্রুয়ারী মাসের বেতন ভাতা পরিশোধ করা হয়নি। ওই মাসের বেতন ভাতা ও আসন্ন ঈদের বোনাস পরিশোধের দাবিতে শ্রমিকরা সাড়ে ৮টার দিকে উৎপাদন কাজ বন্ধ করে ফ্যাক্টরি নিচে বিক্ষোভ শুরু করে। এক পর্যায়ে সকাল ৯টার দিকে শ্রমিকরা কারখানার সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করে। এতে ওই এলাকা দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মালিক পক্ষের সাথে আলোচনা করে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিলে সকাল ৯টা ৩৫মিনিটের দিকে শ্রমিকরা মহাসড়ক ছেড়ে চলে যায়। পরে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।
এদিকে একই উপজেলার বানিয়ারচালা এলাকার জায়ান্ট টেক্সটাইল লিমিটেড পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ঈদুল ফিতরের ছুটি ১১দিন এবং কারখানার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ওমর ফারুকের পদত্যাগের দাবিতে কাজ বন্ধ করে কারখানার ভেতরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে। পরে কাজে যোগ না দিয়ে দুপুরে শ্রমিকরা কর্মস্থল ত্যাগ করে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. আব্দুল লতিফ খান বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের ও ইদ বোনাসের দাবিতে ফু-ওয়াং ফুড লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ ও মহাসড়কে অবরোধ করে। কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বললে তারা আগামীকাল বেতন পরিশোধের তারিখ দেয়। এ আশ্বাসে শ্রমিকরা মহাসড়ক ছেড়ে দিলে আধাঘন্টা পর যানবাহন চলাচল শুরু হয়। তিনি আরো বলেন, জায়ান্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের শ্রমিকরা কারখানার জিএম এর পদত্যাগ ও ঈদের ছুটি ১১ দিনের দাবিতে কারখানার ভেতরে বিক্ষোভ করে। এক পর্যায়ে তারা দুপুরে দিকে কারখানা ত্যাগ করে।






