গাজায় যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাব ইসরায়েলের

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে নতুন এক প্রস্তাব দিয়েছে ইসরায়েল, যা দুই মধ্যস্থতাকারী দেশ মিসর ও কাতারের মাধ্যমে হামাসের কাছে পৌঁছেছে। মিসরের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আল কাহেরা নিউজের বরাতে সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রস্তাবটি পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে হামাসের মুখপাত্র আবু জুহরি জানিয়েছেন, গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতৃত্ব সেটি পর্যালোচনা করছে এবং খুব শিগগিরই তারা তাদের অবস্থান জানাবে। তবে প্রস্তাবটি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে, কারণ এই প্রথমবারের মতো ইসরায়েল হামাসের নিরস্ত্রীকরণকে আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে দিয়েছে।

ইসরায়েলের দাবি, হামাস যদি নিজেকে নিরস্ত্র করতে সম্মত হয়, তাহলে পরবর্তী শান্তি আলোচনায় অংশ নেবে তারা। এ বিষয়ে আবু জুহরি মন্তব্য করেছেন, “হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ইস্যুটি বহু রেডলাইনের সঙ্গে জড়িত। এটি একটি জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।”

অন্যদিকে, এর আগে হামাস একটি পাল্টা প্রস্তাবে বলেছিল, ইসরায়েল যদি গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে, তবে তারা বন্দি থাকা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেবে। কিন্তু নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ইসরায়েল সে প্রস্তাবে রাজি হয়নি।

মিসরের এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সময়ের গুরুত্ব এখন হামাস বুঝতে পারছে এবং তারা দ্রুতই সাড়া দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে হামাস ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালিয়ে ১২০০ জনকে হত্যা ও ২৪২ জনকে জিম্মি করে। এরপর থেকেই ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলছে। দীর্ঘ ১৫ মাসের অভিযানে গাজায় প্রাণ হারিয়েছে ৫১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি, যাদের ৫৬ শতাংশই নারী ও শিশু।

সূত্র: রয়টার্স

 

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

গাজায় যুদ্ধবিরতির নতুন প্রস্তাব ইসরায়েলের

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে নতুন এক প্রস্তাব দিয়েছে ইসরায়েল, যা দুই মধ্যস্থতাকারী দেশ মিসর ও কাতারের মাধ্যমে হামাসের কাছে পৌঁছেছে। মিসরের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আল কাহেরা নিউজের বরাতে সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রস্তাবটি পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে হামাসের মুখপাত্র আবু জুহরি জানিয়েছেন, গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতৃত্ব সেটি পর্যালোচনা করছে এবং খুব শিগগিরই তারা তাদের অবস্থান জানাবে। তবে প্রস্তাবটি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে, কারণ এই প্রথমবারের মতো ইসরায়েল হামাসের নিরস্ত্রীকরণকে আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে দিয়েছে।

ইসরায়েলের দাবি, হামাস যদি নিজেকে নিরস্ত্র করতে সম্মত হয়, তাহলে পরবর্তী শান্তি আলোচনায় অংশ নেবে তারা। এ বিষয়ে আবু জুহরি মন্তব্য করেছেন, “হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ইস্যুটি বহু রেডলাইনের সঙ্গে জড়িত। এটি একটি জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।”

অন্যদিকে, এর আগে হামাস একটি পাল্টা প্রস্তাবে বলেছিল, ইসরায়েল যদি গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করে, তবে তারা বন্দি থাকা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেবে। কিন্তু নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ইসরায়েল সে প্রস্তাবে রাজি হয়নি।

মিসরের এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সময়ের গুরুত্ব এখন হামাস বুঝতে পারছে এবং তারা দ্রুতই সাড়া দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে হামাস ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালিয়ে ১২০০ জনকে হত্যা ও ২৪২ জনকে জিম্মি করে। এরপর থেকেই ইসরায়েলের সামরিক অভিযান চলছে। দীর্ঘ ১৫ মাসের অভিযানে গাজায় প্রাণ হারিয়েছে ৫১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি, যাদের ৫৬ শতাংশই নারী ও শিশু।

সূত্র: রয়টার্স