শেষ বিকেলে ব্যাটিং ধস, ৬৪ রানের লিড বাংলাদেশের

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় দিনের শেষ বিকেলটা স্বাগতিকদের জন্য মোটেই সুখকর হয়নি। দিনের শেষ দিকে মাত্র ২০ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধস নামে ব্যাটিং লাইনআপে। দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৯১ রান, যা জিম্বাবুয়ের চেয়ে ৬৪ রানের লিড এনে দিয়েছে।

চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম দিন থেকেই আধিপত্য বিস্তার করছিল শান্তর দল। দ্বিতীয় দিন সকালে জিম্বাবুয়ে ২২৭ রানেই অলআউট হয়ে যায়। আগের দিন ৯ উইকেটে এই স্কোরে থেমে যাওয়া দলটি আজ আর কোন রান যোগ করতে পারেনি। তাইজুল ইসলামের দারুণ বোলিংয়ে—৬ উইকেট শিকার—স্বস্তিতে ইনিংস শুরু করে বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও এনামুল হক বিজয়। ২০২২ সালের পর প্রথমবার ১০০ রানের ওপেনিং জুটি গড়ে ১১৮ রান যোগ করেন তারা। বিজয় ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৩৯ রান করে এলবিডব্লিউ হন মুজারাবানির বলে। যদিও ফিফটি না পেলেও এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস হিসেবে ধরা যাচ্ছে।

অন্যদিকে সাদমান ছিলেন দৃঢ় ও সাবলীল। লাঞ্চের আগেই ফিফটি পূর্ণ করা এই ওপেনার ১৪২ বলে পূর্ণ করেন নিজের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি, যেটি এসেছে ১৮১ বলে ১৬ চার ও ১ ছক্কায় গড়া ১২০ রানের ইনিংসের মাধ্যমে—এটি তার ক্যারিয়ার সেরা স্কোরও। উল্লেখযোগ্যভাবে তার প্রথম সেঞ্চুরিটিও এসেছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, হারারেতে ২০২১ সালে।

মুমিনুল হকের সঙ্গে তার ৭৬ রানের জুটি কিছুটা স্থিতি এনে দিলেও, চা বিরতির আগে মাসাকাদজার বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুমিনুল (৩৩)। পরের ওভারের প্রথম বলেই বেনেটের বলে এলবিডব্লিউ হন সেঞ্চুরিয়ান সাদমান।

এরপর শান্ত (২৩) ও মুশফিক (৪০)-এর একটি ৬৫ রানের জুটি দলকে সামলে রাখলেও, শান্তর আউটের পরই শুরু হয় উইকেট পতনের ধস। স্কোর ২৫৯/৩ থেকে দ্রুতই হয়ে যায় ২৭৯/৭। মুশফিক দুর্ভাগ্যজনক রানআউটে বিদায় নেন, আর জাকের আলি (৫) ও নাঈম হাসান (৩) রান করে দ্রুত ফেরেন ড্রেসিং রুমে।

শেষ পর্যন্ত মেহেদি হাসান মিরাজ (১৬*) ও তাইজুল ইসলাম (৫*) দিনের খেলা নির্বিঘ্নে শেষ করেন। বল হাতে জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পেয়েছেন মাসেকেসা।

বাংলাদেশের লিড এখন ৬৪ রান। আগামী দিনে ইনিংস লম্বা করতে পারলেই ম্যাচে ভালো অবস্থানে থাকতে পারবে টাইগাররা।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

শেষ বিকেলে ব্যাটিং ধস, ৬৪ রানের লিড বাংলাদেশের

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় দিনের শেষ বিকেলটা স্বাগতিকদের জন্য মোটেই সুখকর হয়নি। দিনের শেষ দিকে মাত্র ২০ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধস নামে ব্যাটিং লাইনআপে। দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৯১ রান, যা জিম্বাবুয়ের চেয়ে ৬৪ রানের লিড এনে দিয়েছে।

চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম দিন থেকেই আধিপত্য বিস্তার করছিল শান্তর দল। দ্বিতীয় দিন সকালে জিম্বাবুয়ে ২২৭ রানেই অলআউট হয়ে যায়। আগের দিন ৯ উইকেটে এই স্কোরে থেমে যাওয়া দলটি আজ আর কোন রান যোগ করতে পারেনি। তাইজুল ইসলামের দারুণ বোলিংয়ে—৬ উইকেট শিকার—স্বস্তিতে ইনিংস শুরু করে বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও এনামুল হক বিজয়। ২০২২ সালের পর প্রথমবার ১০০ রানের ওপেনিং জুটি গড়ে ১১৮ রান যোগ করেন তারা। বিজয় ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৩৯ রান করে এলবিডব্লিউ হন মুজারাবানির বলে। যদিও ফিফটি না পেলেও এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস হিসেবে ধরা যাচ্ছে।

অন্যদিকে সাদমান ছিলেন দৃঢ় ও সাবলীল। লাঞ্চের আগেই ফিফটি পূর্ণ করা এই ওপেনার ১৪২ বলে পূর্ণ করেন নিজের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি, যেটি এসেছে ১৮১ বলে ১৬ চার ও ১ ছক্কায় গড়া ১২০ রানের ইনিংসের মাধ্যমে—এটি তার ক্যারিয়ার সেরা স্কোরও। উল্লেখযোগ্যভাবে তার প্রথম সেঞ্চুরিটিও এসেছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, হারারেতে ২০২১ সালে।

মুমিনুল হকের সঙ্গে তার ৭৬ রানের জুটি কিছুটা স্থিতি এনে দিলেও, চা বিরতির আগে মাসাকাদজার বলে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মুমিনুল (৩৩)। পরের ওভারের প্রথম বলেই বেনেটের বলে এলবিডব্লিউ হন সেঞ্চুরিয়ান সাদমান।

এরপর শান্ত (২৩) ও মুশফিক (৪০)-এর একটি ৬৫ রানের জুটি দলকে সামলে রাখলেও, শান্তর আউটের পরই শুরু হয় উইকেট পতনের ধস। স্কোর ২৫৯/৩ থেকে দ্রুতই হয়ে যায় ২৭৯/৭। মুশফিক দুর্ভাগ্যজনক রানআউটে বিদায় নেন, আর জাকের আলি (৫) ও নাঈম হাসান (৩) রান করে দ্রুত ফেরেন ড্রেসিং রুমে।

শেষ পর্যন্ত মেহেদি হাসান মিরাজ (১৬*) ও তাইজুল ইসলাম (৫*) দিনের খেলা নির্বিঘ্নে শেষ করেন। বল হাতে জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পেয়েছেন মাসেকেসা।

বাংলাদেশের লিড এখন ৬৪ রান। আগামী দিনে ইনিংস লম্বা করতে পারলেই ম্যাচে ভালো অবস্থানে থাকতে পারবে টাইগাররা।