চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনে ৯০ ওভার ব্যাট করে ৯ উইকেটে ২২৭ রান তুলেছিল জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় দিনে বাকি থাকা শেষ উইকেট নিয়ে আরও রান যোগ করার আশায় মাঠে নামে সফরকারীরা। তবে তাদের সে আশায় জল ঢেলে দেন তাইজুল ইসলাম। দিনের প্রথম বলেই ব্লেসিং মুজারানিকে আউট করে জিম্বাবুয়ের ইনিংস গুটিয়ে দেন তিনি। ফলে ২২৭ রানেই অলআউট হয় সফরকারীরা। ৬০ রানে ৬ উইকেট নিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে রাখলেন তাইজুল।
এর আগে সোমবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নামে জিম্বাবুয়ে। শুরুতে বাংলাদেশ প্রত্যাশা করেছিল দ্রুত উইকেট তুলে নেবে, যদিও প্রথম ব্রেকথ্রু পেতে অপেক্ষা করতে হয় ১০ ওভার পার হওয়ার পর।
ইনিংসের ১১তম ওভারে নিজের অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা পেসার তানজিম হাসান সাকিব অফসাইডে বাড়তি বাউন্স দিয়ে উইকেটরক্ষক জাকের আলীর হাতে ক্যাচ বানান ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে (২১)। দলীয় ৪১ রানে প্রথম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।
এরপর ১৯তম ওভারে বল হাতে আসেন তাইজুল ইসলাম। দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ওপেনার বেন কারেনকে বোল্ড করে ফেরান তিনি। ৫০ বলে ২১ রান করা কারেনের বিদায়ে ৭২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় সফরকারীরা।
তৃতীয় উইকেটে শন উইলিয়ামস ও নিকোলাস ওয়েলচ মিলে ১০৫ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন। তবে ওয়েলচ ১৩১ বলে ৫৪ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তখন দলীয় রান ছিল ১৬২।
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবুয়ে। অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন (৫) এবং অভিজ্ঞ ব্যাটার শন উইলিয়ামস (৬৭) আউট হন নাঈম হাসানের বলে। এরপর ওয়েসলে মাদভেরে (১৫) তাইজুলের শিকার হন, যাকে তালুবন্দি করেন উইকেটরক্ষক জাকের আলী।
একই ওভারে ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ছক্কা হাঁকানোর পরপরই এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন (৬)। পরের বলেই রিচার্ড এনগারাভা (০) বোল্ড হয়ে যান তাইজুলের ঘূর্ণিতে। এর মধ্যেই রানআউট হন ভিনসেন্ট মাসেকেসা (৮)।
শেষদিকে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরে আসা নিক ওয়েলচকেও (৫৪) ফিরিয়ে দেন তাইজুল, বোল্ড করে। এর মাধ্যমে ২২৭ রানেই শেষ হয় জিম্বাবুয়ের প্রথম ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ৬০ রানে ৬ উইকেট নেন, নাঈম হাসান শিকার করেন ২ উইকেট এবং তানজিম হাসান সাকিব নেন ১টি উইকেট।






