চট্টগ্রামে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহেই উপদেষ্টা পরিষদের সভায় নতুন সাইবার সিকিউরিটি আইন অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, সমালোচিত ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নতুন আইন আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতোমধ্যে এই আইনের অধীনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং নতুন কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
প্রস্তাবিত নতুন আইনে পূর্ববর্তী আইনের ৯টি নিবর্তনমূলক ধারা বাদ দেওয়ার কথা রয়েছে, যার আওতায় ৯৫ শতাংশ মামলা হয়েছিল। এসব ধারা বাতিল হলে বাকি মামলাগুলোও স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজ হবে। গুরুতর সাইবার হ্যাকিং ছাড়া অন্যান্য অপরাধে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতারের বিধানও তুলে দেওয়া হচ্ছে।
আজাদ মজুমদার বলেন, “এই আইনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের হয়রানি কমবে এবং মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরিতে বড় পদক্ষেপ হবে।”
তিনি আরও জানান, জুলাই-আগস্টের ঘটনাবলির পর বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হলেও সেগুলো সরকারের কোনো সংস্থা করেনি। বরং পুলিশকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কাউকে গ্রেফতার না করার।
তিনি জানান, অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থায় অনিয়ম থাকায় ৪ হাজার ৯৩৫টি কার্ড বাতিল করা হয়েছে, তবে আপিলের সুযোগও রাখা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫৭০ জন সাংবাদিককে বিশেষ পাশ দেওয়া হয়েছে।
একইসঙ্গে তিনি গণমাধ্যমে অপপ্রচার, গুজব এবং ভুয়া তথ্য ছড়ানো নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য প্রবাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রিয় হোক বা অপ্রিয়—সব প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত সরকার।”






