শান্তির দেশ চাই, হানাহানি চাই না: সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, “আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাপূর্ণ বাংলাদেশ চাই। এই দেশে হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা বিভাজনের কোনো স্থান নেই।”

রোববার সকালে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে ‘সম্প্রীতি ভবনের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তিন বাহিনীর প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, “মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে। কিন্তু আমাদের উচিত একে অপরের মতামত ও অবস্থানকে শ্রদ্ধা করা। আমরা যেন সহনশীলতা ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে একত্রে এগিয়ে যেতে পারি।”

তিনি গৌতম বুদ্ধের অহিংসা ও সম্প্রীতির দর্শনের কথা তুলে ধরে বলেন, “আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই, যেখানে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মানের সঙ্গে সহাবস্থান করতে পারবে। এই ভাবনা থেকেই আমরা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছি।”

চট্টগ্রামে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে তার কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জেনারেল ওয়াকার বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি রক্ষায় সেনাবাহিনী সব সময় সচেষ্ট এবং ভবিষ্যতেও যে কোনো প্রয়োজনে প্রস্তুত থাকবে।”

তিনি আরও জানান, ‘সম্প্রীতি ভবন’ নির্মাণে ৬–৭ কোটি টাকা ব্যয় হবে এবং এটি এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

শান্তির দেশ চাই, হানাহানি চাই না: সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, “আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাপূর্ণ বাংলাদেশ চাই। এই দেশে হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা বিভাজনের কোনো স্থান নেই।”

রোববার সকালে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারে ‘সম্প্রীতি ভবনের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ তিন বাহিনীর প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, “মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে। কিন্তু আমাদের উচিত একে অপরের মতামত ও অবস্থানকে শ্রদ্ধা করা। আমরা যেন সহনশীলতা ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রেখে একত্রে এগিয়ে যেতে পারি।”

তিনি গৌতম বুদ্ধের অহিংসা ও সম্প্রীতির দর্শনের কথা তুলে ধরে বলেন, “আমরা এমন একটি দেশ গড়তে চাই, যেখানে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মানের সঙ্গে সহাবস্থান করতে পারবে। এই ভাবনা থেকেই আমরা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছি।”

চট্টগ্রামে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে তার কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জেনারেল ওয়াকার বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি রক্ষায় সেনাবাহিনী সব সময় সচেষ্ট এবং ভবিষ্যতেও যে কোনো প্রয়োজনে প্রস্তুত থাকবে।”

তিনি আরও জানান, ‘সম্প্রীতি ভবন’ নির্মাণে ৬–৭ কোটি টাকা ব্যয় হবে এবং এটি এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।