শেখ হাসিনার এনআইডি ‘লক’

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শেখ পরিবারের ১০ সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) লক করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের অধীন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ।

নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানিয়েছে, একটি অফিসিয়াল চিঠির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীরের মৌখিক নির্দেশে এই এনআইডি লক কার্যকর হয়। তবে নির্বাচন কমিশনের মূল সচিবালয় থেকে সরাসরি এ সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

যেসব ব্যক্তির এনআইডি লক করা হয়েছে, তারা হলেন—শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ, শেখ রেহানা, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক, শাহিন সিদ্দিক, বুশরা সিদ্দিক, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং তারিক আহমেদ সিদ্দিক।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান এবং এখনো সেখানেই অবস্থান করছেন। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার ইতোমধ্যে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

শেখ হাসিনার এনআইডি ‘লক’

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শেখ পরিবারের ১০ সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) লক করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের অধীন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ।

নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানিয়েছে, একটি অফিসিয়াল চিঠির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীরের মৌখিক নির্দেশে এই এনআইডি লক কার্যকর হয়। তবে নির্বাচন কমিশনের মূল সচিবালয় থেকে সরাসরি এ সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

যেসব ব্যক্তির এনআইডি লক করা হয়েছে, তারা হলেন—শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ, শেখ রেহানা, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক, শাহিন সিদ্দিক, বুশরা সিদ্দিক, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং তারিক আহমেদ সিদ্দিক।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান এবং এখনো সেখানেই অবস্থান করছেন। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার ইতোমধ্যে ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে।