জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানাকে আওয়ামী লীগের দোষর উল্লেখ করে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (০৯ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে তাকে প্রত্যাহারের জন্য জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগমের কাছে একটি আবেদন করেন শিক্ষার্থীরা। এই আবেদনের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, জনপ্রশাসন সচিবসহ বিভাগীয় কমিশনার ময়মনসিংহ বরাবর।
বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে ‘জামালপুরের বকশিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা, “ইউএনও বকশিগঞ্জ জামালপুর” নামে উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক আইডিতে যে প্রোফাইল পিকচার আপলোড করেন সেটি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। গত ২৩ ডিসেম্বর তিনি ছবিটি আপলোড করেন যা এখনো আছে।
আবেদনে বলা হয়, হাসিনার পক্ষে অত্যন্ত চতুরতার সাথে প্রচার করে যাচ্ছেন মাসুদ রানা। প্রফাইল পিকচারে দেখা যায় তিনি একটি লাইব্রির সামনে দাঁড়ানো। পেছনে ফেসিস্ট হাসিনার লেখা বইসহ কৌশলে আওয়ামী ভাবধারার বইপত্রের প্রদর্শন করছেন। অভিযোগে বলা হয় এতো এতো প্রাণের বিনিময়ে যে ফেসিস্ট হাসিনাকে বিতারিত করা হয়েছে সেই হাসিনার প্রচার এভাবে কোন সরকারী কর্মকর্তা করতে পারেন না।
এসব বিষয়ে জানতে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানার মোবাইল ফোনে দুপুর ২ টা ৫০ মিনিটে দুইবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
তবে জামালপুরের জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম বলেন- এখনো আবেদনটি আমি দেখিনি। দেখে বিষয়টি জানাতে পারবো।






