পহেলা বৈশাখে রাজধানীর রমনা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও আশপাশের সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে ডিএমপির নির্দেশনা
বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল, সোমবার রাজধানীর রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও আশপাশের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এদিন ভোর ৫টা থেকে এসব এলাকায় যানবাহন চলাচলে ডাইভারশন ও ব্যারিকেড ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।
শনিবার (১২ এপ্রিল) ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়।
বন্ধ থাকা সড়কসমূহ
নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে নিচের পয়েন্টসমূহে যান চলাচল বন্ধ থাকবে বা ডাইভারশন দেওয়া হবে:
বাংলামোটর ক্রসিং / নেভী গ্যাপ
পুলিশ ভবন ক্রসিং
সুগন্ধা ক্রসিং
কাকরাইল চার্চ ক্রসিং
কদমফোয়ারা ক্রসিং
হাইকোর্ট ক্রসিং (পূর্ব ও দক্ষিণ অংশ)
দোয়েল চত্বর
রোমানা ক্রসিং
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার
জগন্নাথ হল ক্রসিং
ভাস্কর্য ক্রসিং
নীলক্ষেত ক্রসিং
কাটাবন ক্রসিং
বিকল্প সড়ক ব্যবস্থাপনা
রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার আশপাশে নিম্নোক্ত সড়কসমূহ দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারবে:
মিরপুর ও ফার্মগেট থেকে শাহবাগগামী যানবাহন বাংলামোটর ক্রসিং থেকে বামে মোড় নিয়ে মগবাজার ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে যাবে।
গোলাপশাহ মাজার ক্রসিং ও হাইকোর্ট থেকে শাহবাগগামী যানবাহন কদমফোয়ারা, ইউবিএল ক্রসিং ও নাইটিংগেল ক্রসিং হয়ে চলবে।
সায়েন্সল্যাব থেকে শাহবাগগামী যানবাহন মিরপুর রোড হয়ে আজিমপুর, চানখাঁরপুল ও বকশীবাজার ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।
পার্কিং ব্যবস্থাপনা
যানজট ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থানসমূহ নিম্নরূপ:
নেভী গ্যাপ থেকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল পর্যন্ত রাস্তায় পার্কিং করা যাবে।
মৎস্য ভবন ক্রসিং থেকে সেগুনবাগিচা পর্যন্ত রাস্তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যানবাহনের জন্য নির্ধারিত।
শিল্পকলা একাডেমির গলিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ি রাখা যাবে।
কাটাবন ক্রসিং থেকে নীলক্ষেত হয়ে পলাশী ক্রসিং পর্যন্ত পার্কিংয়ের জন্য ব্যবহার করা যাবে।
দোয়েল চত্বর থেকে শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং পর্যন্ত রাস্তা পার্কিংয়ের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
ডিএমপির অনুরোধ
ঢাকা মহানগর পুলিশ নাগরিকদের অনুরোধ জানিয়েছে, পহেলা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে যাতায়াতের সময় নির্ধারিত বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নির্দেশনা মেনে চলতে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উৎসবস্থলে হেঁটে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সন্দেহজনক কিছু দেখলে নিকটস্থ পুলিশ সদস্যকে জানানোরও আহ্বান জানানো হয়।






