শ্রমিকদের সড়ক অবরোধে তীব্র যানজট, চরম দুর্ভোগ

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

প্রকাশ :

ছবি: প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

ময়মনসিংহের ভালুকায় বকেয়া বেতন, ঈদুল ফিতরের বোনাস ও চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের চূড়ান্ত পাওনা পরিশোধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন রোর ফ্যাশন লিমিটেড পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
সোমবার (১২ মে) দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা উপজেলার কাঠালী পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, ফলে দুরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের বেতন, ঈদের বোনাস এবং চাকরিচ্যুত কর্মীদের চূড়ান্ত পাওনা ১১ মে’র মধ্যে পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কোনো অর্থ প্রদান করা হয়নি এবং কারখানা কর্তৃপক্ষের কেউ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়ে শ্রমিকরা।
শ্রমিকদের ভাষ্য, গত ২৬ মার্চ কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপরও তারা একাধিকবার সড়ক অবরোধ করেছেন এবং রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনের সামনেও তিনদিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন, কিন্তু কোনো কার্যকর সমাধান মেলেনি।
বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি টহল দল, ভালুকা মডেল থানা পুলিশ, ভরাডোবা হাইওয়ে পুলিশ ও শিল্প পুলিশ। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আশ্বাসে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন এবং পরবর্তীতে ময়মনসিংহ জেলা কলকারখানা পরিদর্শকের কার্যালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেন।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, শ্রমিকদের দাবি নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং সমস্যা সমাধানে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

শ্রমিকদের সড়ক অবরোধে তীব্র যানজট, চরম দুর্ভোগ

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

প্রকাশ :

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

ময়মনসিংহের ভালুকায় বকেয়া বেতন, ঈদুল ফিতরের বোনাস ও চাকরিচ্যুত শ্রমিকদের চূড়ান্ত পাওনা পরিশোধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন রোর ফ্যাশন লিমিটেড পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
সোমবার (১২ মে) দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা উপজেলার কাঠালী পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, ফলে দুরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের বেতন, ঈদের বোনাস এবং চাকরিচ্যুত কর্মীদের চূড়ান্ত পাওনা ১১ মে’র মধ্যে পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কোনো অর্থ প্রদান করা হয়নি এবং কারখানা কর্তৃপক্ষের কেউ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়ে শ্রমিকরা।
শ্রমিকদের ভাষ্য, গত ২৬ মার্চ কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপরও তারা একাধিকবার সড়ক অবরোধ করেছেন এবং রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনের সামনেও তিনদিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন, কিন্তু কোনো কার্যকর সমাধান মেলেনি।
বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি টহল দল, ভালুকা মডেল থানা পুলিশ, ভরাডোবা হাইওয়ে পুলিশ ও শিল্প পুলিশ। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আশ্বাসে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন এবং পরবর্তীতে ময়মনসিংহ জেলা কলকারখানা পরিদর্শকের কার্যালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেন।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, শ্রমিকদের দাবি নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং সমস্যা সমাধানে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।