যশোর রেজিস্ট্রি অফিসে দুদকের অভিযান, দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড়

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশ :

ছবি: ফাইল ছবি

যশোর জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুপুরে দু’দফায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

দুদকের যশোর কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল আমীন এবং উপসহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেয় একটি দল। প্রথম দফায় দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলে তল্লাশি। এ সময় অফিস সহকারী ভৈরব চক্রবর্তীর ড্রয়ার থেকে সন্দেহজনক টাকা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

দুদক জানায়, যশোর রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে জেলা রেজিস্ট্রার আবু তালেব যোগদানের পর ঘুষ-দুর্নীতি আরও বেড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দলিল নিবন্ধন, বদলি, অডিট এবং নকল সরবরাহের নামে প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের ঘুষ আদায় করা হচ্ছে।

সূত্রমতে, রেজিস্ট্রার আবু তালেবের হয়ে ঘুষ বাণিজ্যের মূল দায়িত্বে রয়েছেন শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মোহরার শামসুজ্জামান মিলন। তার বিরুদ্ধে সাব-রেজিস্ট্রার আমিনা বেগমকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও রয়েছে। লিখিত অভিযোগের পরও এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, আবু তালেব নিয়মিত অফিস করেন না। সপ্তাহের মাত্র তিন দিন যশোরে অবস্থান করেন। যাতায়াত ও ব্যক্তিগত ফ্ল্যাট ভাড়া বাবদ মাসে লাখ টাকার বেশি ব্যয় করেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা রেজিস্ট্রার আবু তালেব বলেন, “দুদক অভিযান চালিয়েছে। তারা কাগজপত্র দেখেছে। তবে দুর্নীতির কোনো বিষয় পায়নি।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

যশোর রেজিস্ট্রি অফিসে দুদকের অভিযান, দুর্নীতির অভিযোগে তোলপাড়

যশোর প্রতিনিধি

প্রকাশ :

ফাইল ছবি

যশোর জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুপুরে দু’দফায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

দুদকের যশোর কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আল আমীন এবং উপসহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেয় একটি দল। প্রথম দফায় দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত চলে তল্লাশি। এ সময় অফিস সহকারী ভৈরব চক্রবর্তীর ড্রয়ার থেকে সন্দেহজনক টাকা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

দুদক জানায়, যশোর রেজিস্ট্রি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে জেলা রেজিস্ট্রার আবু তালেব যোগদানের পর ঘুষ-দুর্নীতি আরও বেড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দলিল নিবন্ধন, বদলি, অডিট এবং নকল সরবরাহের নামে প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের ঘুষ আদায় করা হচ্ছে।

সূত্রমতে, রেজিস্ট্রার আবু তালেবের হয়ে ঘুষ বাণিজ্যের মূল দায়িত্বে রয়েছেন শার্শা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের মোহরার শামসুজ্জামান মিলন। তার বিরুদ্ধে সাব-রেজিস্ট্রার আমিনা বেগমকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও রয়েছে। লিখিত অভিযোগের পরও এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, আবু তালেব নিয়মিত অফিস করেন না। সপ্তাহের মাত্র তিন দিন যশোরে অবস্থান করেন। যাতায়াত ও ব্যক্তিগত ফ্ল্যাট ভাড়া বাবদ মাসে লাখ টাকার বেশি ব্যয় করেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা রেজিস্ট্রার আবু তালেব বলেন, “দুদক অভিযান চালিয়েছে। তারা কাগজপত্র দেখেছে। তবে দুর্নীতির কোনো বিষয় পায়নি।