যুদ্ধ প্রস্তুতিতে ভারত-পাকিস্তান!

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি, আর তারই জবাবে সীমান্ত এলাকায় দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন শুরু করেছে পাকিস্তান। পরিস্থিতি ক্রমেই যুদ্ধমুখী রূপ নিচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

ভারত হামলার কড়া জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে কূটনৈতিক ও সামরিক মহল। অপরদিকে ইসলামাবাদও বসে নেই। করাচি থেকে একের পর এক সামরিক বিমান সরিয়ে মোতায়েন করা হচ্ছে লাহোর ও রাওয়ালপিন্ডি সংলগ্ন ঘাঁটিগুলোতে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তের কাছে পাকিস্তানের সামরিক তৎপরতা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লাহোরের কাছে সারগোধা ও মুরিদ, আর রাওয়ালপিন্ডির কাছে চাকলালা ও নুর খান ঘাঁটিগুলো পাকিস্তান বিমানবাহিনীর মূল ভরসা। এই ঘাঁটিগুলোতে ইতোমধ্যেই ড্রোন, যুদ্ধবিমানসহ নানা ধরনের আক্রমণাত্মক সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে।

বিশেষ নজরে রয়েছে মুরিদ ঘাঁটি, যেখানে রয়েছে তুরস্ক থেকে কেনা বাইরাক্তার টিবি-২ ড্রোন। ২০২০ সালে আজারবাইজানের হয়ে এই ড্রোনগুলোর কার্যকরী ব্যবহার যুদ্ধক্ষেত্রে বড় সাফল্য এনে দিয়েছিল।

এছাড়া, লাইন অফ কন্ট্রোল (এলওসি)-এও বাড়ানো হয়েছে সেনা উপস্থিতি। পাকিস্তান সেনাবাহিনী সেখানে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে, বাঙ্কারগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত সৈন্য।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০১৯ সালের মতো ভারতীয় বিমানবাহিনী আবারও প্রত্যাঘাত করতে পারে—এই অনুমান থেকে ইসলামাবাদ তার প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করছে।

উভয় দেশের সামরিক প্রস্তুতি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সামান্য উত্তেজনাই বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

যুদ্ধ প্রস্তুতিতে ভারত-পাকিস্তান!

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

সংগৃহীত

জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি, আর তারই জবাবে সীমান্ত এলাকায় দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন শুরু করেছে পাকিস্তান। পরিস্থিতি ক্রমেই যুদ্ধমুখী রূপ নিচ্ছে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

ভারত হামলার কড়া জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে কূটনৈতিক ও সামরিক মহল। অপরদিকে ইসলামাবাদও বসে নেই। করাচি থেকে একের পর এক সামরিক বিমান সরিয়ে মোতায়েন করা হচ্ছে লাহোর ও রাওয়ালপিন্ডি সংলগ্ন ঘাঁটিগুলোতে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তের কাছে পাকিস্তানের সামরিক তৎপরতা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লাহোরের কাছে সারগোধা ও মুরিদ, আর রাওয়ালপিন্ডির কাছে চাকলালা ও নুর খান ঘাঁটিগুলো পাকিস্তান বিমানবাহিনীর মূল ভরসা। এই ঘাঁটিগুলোতে ইতোমধ্যেই ড্রোন, যুদ্ধবিমানসহ নানা ধরনের আক্রমণাত্মক সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে।

বিশেষ নজরে রয়েছে মুরিদ ঘাঁটি, যেখানে রয়েছে তুরস্ক থেকে কেনা বাইরাক্তার টিবি-২ ড্রোন। ২০২০ সালে আজারবাইজানের হয়ে এই ড্রোনগুলোর কার্যকরী ব্যবহার যুদ্ধক্ষেত্রে বড় সাফল্য এনে দিয়েছিল।

এছাড়া, লাইন অফ কন্ট্রোল (এলওসি)-এও বাড়ানো হয়েছে সেনা উপস্থিতি। পাকিস্তান সেনাবাহিনী সেখানে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে, বাঙ্কারগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত সৈন্য।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০১৯ সালের মতো ভারতীয় বিমানবাহিনী আবারও প্রত্যাঘাত করতে পারে—এই অনুমান থেকে ইসলামাবাদ তার প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করছে।

উভয় দেশের সামরিক প্রস্তুতি এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে সামান্য উত্তেজনাই বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।