রমনা বটমূলে বোমা হামলা: হাইকোর্টের রায় ৮ মে

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

২০০১ সালের পহেলা বৈশাখে রাজধানীর রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিলের রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৮ মে দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) মামলার আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর মামলাটি রায়ের অপেক্ষায় (সিএভি) রাখা হয়েছিল।

আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, সরওয়ার আহমেদ ও মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৩ জুন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন। এতে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ (হুজি) এর নেতা মুফতি আবদুল হান্নান, বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনসহ ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরও ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: মুফতি আবদুল হান্নান (যার শাস্তি অন্য মামলায় কার্যকর হয়েছে), মাওলানা তাজউদ্দিন, মাওলানা আকবর হোসেন, মুফতি আবদুল হাই, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, মুফতি শফিকুর রহমান ও মাওলানা আরিফ হাসান সুমন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা সাব্বির ওরফে আব্দুল হান্নান সাব্বির, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মাওলানা আব্দুর রউফ ও শাহাদত উল্লাহ ওরফে জুয়েল।

২০১৭ সালের ৮ জানুয়ারি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের বেঞ্চে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। পরে এটি বিভিন্ন বেঞ্চে পরিবর্তিত হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে শুনানির অপেক্ষায় ছিল।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হুজি সদস্যরা বোমা হামলা চালালে ১০ জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হন। এ ঘটনায় রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়। ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর সিআইডি হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে বিচারিক আদালতে দীর্ঘ শুনানির পর হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

রমনা বটমূলে বোমা হামলা: হাইকোর্টের রায় ৮ মে

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

২০০১ সালের পহেলা বৈশাখে রাজধানীর রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিলের রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৮ মে দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) মামলার আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর মামলাটি রায়ের অপেক্ষায় (সিএভি) রাখা হয়েছিল।

আসামিপক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান, সরওয়ার আহমেদ ও মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৩ জুন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন। এতে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ (হুজি) এর নেতা মুফতি আবদুল হান্নান, বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনসহ ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরও ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: মুফতি আবদুল হান্নান (যার শাস্তি অন্য মামলায় কার্যকর হয়েছে), মাওলানা তাজউদ্দিন, মাওলানা আকবর হোসেন, মুফতি আবদুল হাই, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, মুফতি শফিকুর রহমান ও মাওলানা আরিফ হাসান সুমন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা সাব্বির ওরফে আব্দুল হান্নান সাব্বির, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মাওলানা আব্দুর রউফ ও শাহাদত উল্লাহ ওরফে জুয়েল।

২০১৭ সালের ৮ জানুয়ারি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের বেঞ্চে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু হয়। পরে এটি বিভিন্ন বেঞ্চে পরিবর্তিত হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে শুনানির অপেক্ষায় ছিল।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে হুজি সদস্যরা বোমা হামলা চালালে ১০ জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হন। এ ঘটনায় রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়। ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর সিআইডি হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে বিচারিক আদালতে দীর্ঘ শুনানির পর হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।