নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগে নুর

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও জনমনে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। ৫ আগস্টের পরেও দৃশ্যপট অনেকাংশে অপরিবর্তিত থাকায় নির্বাচনকে ঘিরে জনগণের মধ্যে শঙ্কা বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের সংলাপে অংশগ্রহণের পর মধ্যাহ্ন বিরতিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নূর বলেন, “যেখানে আমার মতো মানুষকেও জিম্মি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কতটা সম্ভব—তা সহজেই বোঝা যায়। সবার আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।”

পটুয়াখালীতে নিজের নির্বাচনী এলাকায় হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ডাকসুর ইতিহাসে দীর্ঘ ২৮ বছর পর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আমি ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলাম। এরপর থেকেই গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমি ও আমাদের দলের নেতাকর্মীরা নানা রকম নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। গণঅভ্যুত্থানের পরেও আমাদের মতো নেতাদের যেভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

লন্ডনে অনুষ্ঠিত আলোচিত বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে বলেন, “এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি। এটি সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়।”

সংলাপে আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐক্যমত তৈরি হয়েছে বলেও জানান গণঅধিকার পরিষদের এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, “অর্থবিল, আস্থা ভোট ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বিরোধী দলের ভূমিকা আরও জোরালো করার বিষয়ে অনেক দলের মধ্যে মতৈক্য হয়েছে। পাশাপাশি সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ১০০-তে উন্নীত করার প্রস্তাবেও আমরা সমর্থন জানিয়েছি।”

নির্বাচন সামনে রেখে জনমনে আস্থার সংকট ঘোচাতে সবার আগে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমান সুযোগ নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন নুরুল হক নূর।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগে নুর

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর জানিয়েছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও জনমনে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। ৫ আগস্টের পরেও দৃশ্যপট অনেকাংশে অপরিবর্তিত থাকায় নির্বাচনকে ঘিরে জনগণের মধ্যে শঙ্কা বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের সংলাপে অংশগ্রহণের পর মধ্যাহ্ন বিরতিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নূর বলেন, “যেখানে আমার মতো মানুষকেও জিম্মি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, সেখানে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কতটা সম্ভব—তা সহজেই বোঝা যায়। সবার আগে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।”

পটুয়াখালীতে নিজের নির্বাচনী এলাকায় হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ডাকসুর ইতিহাসে দীর্ঘ ২৮ বছর পর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আমি ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলাম। এরপর থেকেই গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমি ও আমাদের দলের নেতাকর্মীরা নানা রকম নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। গণঅভ্যুত্থানের পরেও আমাদের মতো নেতাদের যেভাবে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

লন্ডনে অনুষ্ঠিত আলোচিত বৈঠক প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য না করে বলেন, “এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি। এটি সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়।”

সংলাপে আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি বিষয়ে দলগুলোর মধ্যে ঐক্যমত তৈরি হয়েছে বলেও জানান গণঅধিকার পরিষদের এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, “অর্থবিল, আস্থা ভোট ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বিরোধী দলের ভূমিকা আরও জোরালো করার বিষয়ে অনেক দলের মধ্যে মতৈক্য হয়েছে। পাশাপাশি সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ১০০-তে উন্নীত করার প্রস্তাবেও আমরা সমর্থন জানিয়েছি।”

নির্বাচন সামনে রেখে জনমনে আস্থার সংকট ঘোচাতে সবার আগে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর সমান সুযোগ নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন নুরুল হক নূর।