ঈদ উদযাপনে লন্ডন গেলেন জোবায়দা রহমান

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা ত্যাগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান। এক মাসেরও বেশি সময় ঢাকায় পরিবারের সঙ্গে কাটিয়ে বৃহস্পতিবার (৫ জুন) বেলা ১১টায় কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সেখানে স্বামী তারেক রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানের সঙ্গে ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন।

এদিন সকালে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে পরিবারের সদস্যদের বিদায় জানিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন জোবায়দা। তার লন্ডন যাত্রার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিএনপির মিডিয়া সেল।

প্রায় ১৭ বছর পর গত ৬ মে তিনি লন্ডন থেকে ঢাকায় এসেছিলেন। ঢাকায় অবস্থানকালীন পুরো সময়টা তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে নীরব ছিলেন। তবে বিভিন্ন পারিবারিক ও ঘরোয়া আয়োজনেই ছিলেন ব্যস্ত।

দলের একাংশ মনে করছে, তার এবারের সফর ভবিষ্যতের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। যদিও ডা. জোবায়দা এ নিয়ে কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য দেননি।

ডা. জোবায়দা রহমান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ এবং সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কন্যা। তার জন্ম সিলেটে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৯৫ সালে বিসিএস পরীক্ষায় স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জন করে সরকারি চিকিৎসক হিসেবে যোগ দেন তিনি। ২০০৮ সালে শিক্ষা ছুটিতে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পর সরকার তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে। এরপর তিনি লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে মেডিসিনে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন।

২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তারেক রহমানের সঙ্গে দেশ ছাড়েন ডা. জোবায়দা। এরপর দীর্ঘ সময় প্রবাসে কাটিয়ে এবারই প্রথমবার ঢাকায় ফিরেছিলেন তিনি।

ঢাকায় অবস্থানকালে তার মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। মায়ের চিকিৎসা ও পারিবারিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি স্বজনদের সঙ্গেও সময় কাটান।

তার এ সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও দলীয় মহলে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, নীরব থাকলেও ভবিষ্যতে তার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে বিএনপির জন্য।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

ঈদ উদযাপনে লন্ডন গেলেন জোবায়দা রহমান

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

ঢাকা ত্যাগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান। এক মাসেরও বেশি সময় ঢাকায় পরিবারের সঙ্গে কাটিয়ে বৃহস্পতিবার (৫ জুন) বেলা ১১টায় কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সেখানে স্বামী তারেক রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানের সঙ্গে ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন।

এদিন সকালে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে পরিবারের সদস্যদের বিদায় জানিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন জোবায়দা। তার লন্ডন যাত্রার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিএনপির মিডিয়া সেল।

প্রায় ১৭ বছর পর গত ৬ মে তিনি লন্ডন থেকে ঢাকায় এসেছিলেন। ঢাকায় অবস্থানকালীন পুরো সময়টা তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে নীরব ছিলেন। তবে বিভিন্ন পারিবারিক ও ঘরোয়া আয়োজনেই ছিলেন ব্যস্ত।

দলের একাংশ মনে করছে, তার এবারের সফর ভবিষ্যতের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। যদিও ডা. জোবায়দা এ নিয়ে কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য দেননি।

ডা. জোবায়দা রহমান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ এবং সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কন্যা। তার জন্ম সিলেটে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৯৫ সালে বিসিএস পরীক্ষায় স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রথম স্থান অর্জন করে সরকারি চিকিৎসক হিসেবে যোগ দেন তিনি। ২০০৮ সালে শিক্ষা ছুটিতে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পর সরকার তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে। এরপর তিনি লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ থেকে মেডিসিনে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন।

২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তারেক রহমানের সঙ্গে দেশ ছাড়েন ডা. জোবায়দা। এরপর দীর্ঘ সময় প্রবাসে কাটিয়ে এবারই প্রথমবার ঢাকায় ফিরেছিলেন তিনি।

ঢাকায় অবস্থানকালে তার মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। মায়ের চিকিৎসা ও পারিবারিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি স্বজনদের সঙ্গেও সময় কাটান।

তার এ সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও দলীয় মহলে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, নীরব থাকলেও ভবিষ্যতে তার রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে বিএনপির জন্য।