চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ৪০ ছুঁই ছুঁই

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশ :

ছবি: প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) বেলা ৩ টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই সাথে বাতাসে আর্দ্রতার ছিল ২৮ শতাংশ, যা গরমের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
এরআগে দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪৬ শতাংশ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাপমাত্রা আরও বেড়ে যায় এবং বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়।
এদিকে, প্রচন্ড তাপপ্রবাহে জেলা শহরের রান্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা দেখা গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে খোলা আকাশের নিচে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষেরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।
স্থানীয় কৃষকরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। টানা গরমে ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। বৃষ্টির না হওয়ায় মাটি ফেটে যাচ্ছে। এতে প্রভাব পড়ছে শাকসবজি চাষে।

চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার হাসনহাটি গ্রামের কৃষক খোকন জানান, রোদের তার ও গরমে মাঠে কাজ করা যাচ্ছে না। বৃষ্টি না হলে ফসলের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। এ অবস্থায় খুব দুশ্চিন্তায় আছি।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান বলেন, জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সাথে বাতাসে আর্দ্রতার ছিল ২৮ শতাংশ। আগামী কয়েকদিন এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ৪০ ছুঁই ছুঁই

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশ :

প্রতিনিধির পাঠানো ছবি

চুয়াডাঙ্গার উপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) বেলা ৩ টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেই সাথে বাতাসে আর্দ্রতার ছিল ২৮ শতাংশ, যা গরমের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
এরআগে দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪৬ শতাংশ। বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাপমাত্রা আরও বেড়ে যায় এবং বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়।
এদিকে, প্রচন্ড তাপপ্রবাহে জেলা শহরের রান্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা দেখা গেছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। বিশেষ করে খোলা আকাশের নিচে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষেরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।
স্থানীয় কৃষকরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। টানা গরমে ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। বৃষ্টির না হওয়ায় মাটি ফেটে যাচ্ছে। এতে প্রভাব পড়ছে শাকসবজি চাষে।

চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার হাসনহাটি গ্রামের কৃষক খোকন জানান, রোদের তার ও গরমে মাঠে কাজ করা যাচ্ছে না। বৃষ্টি না হলে ফসলের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। এ অবস্থায় খুব দুশ্চিন্তায় আছি।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান বলেন, জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সাথে বাতাসে আর্দ্রতার ছিল ২৮ শতাংশ। আগামী কয়েকদিন এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।