তেজগাঁওয়ে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

ছয় দফা দাবিতে রাজধানীর তেজগাঁও সাতরাস্তা মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল ১০টা থেকে তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন, ফলে ওই এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

‘কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ’ ব্যানারে এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন সরকারি ও বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীরা জানান, তাদের পূর্বের ছয় দফা দাবির সঙ্গে নতুন একটি দাবি যুক্ত হয়েছে—ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্টদের ১৬তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

ঢাকা পলিটেকনিকের শিক্ষার্থী মিঝদাহুল ইসলাম রিফাত বলেন, “আমরা চাই না কেউ পিয়ন হিসেবে যোগ দিয়ে পরে শিক্ষক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব পালন করুন। এটা শিক্ষার মান এবং মর্যাদার অবমাননা।” তিনি আরও জানান, আন্দোলনে কিছু শিক্ষকও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এর আগে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানকে দেওয়া স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা জানান—

দেশের বেশিরভাগ বেসরকারি পলিটেকনিকে পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধা নেই, যা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনে বাধা সৃষ্টি করছে।

যেসব প্রতিষ্ঠান এসব সুযোগ দিতে ব্যর্থ, সেগুলোর অনুমোদন বাতিলের দাবি জানান তারা।

অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও হয়রানির অভিযোগও ওঠে, যা নিয়ন্ত্রণে বোর্ডকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সরকারি পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট বাবদ যে ভাতা পান, তা বেসরকারি পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয় না—এই বৈষম্যও দূর করার দাবি তোলা হয়।

শিক্ষার্থীদের অবস্থানে সাতরাস্তা মোড় হয়ে বনানী, মহাখালী, উত্তরা রুটে যান চলাচলে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। গুলশান ট্রাফিক বিভাগ জানায়, মহাখালী থেকে বনানী-উত্তরা রুট স্বাভাবিক থাকলেও বিপরীত দিকের চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিকল্প রুট হিসেবে গুলশান-১, শান্তা ডাইভারশন হয়ে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

তেজগাঁওয়ে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

ছয় দফা দাবিতে রাজধানীর তেজগাঁও সাতরাস্তা মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নেমেছে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল ১০টা থেকে তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন, ফলে ওই এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

‘কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ’ ব্যানারে এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন সরকারি ও বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীরা জানান, তাদের পূর্বের ছয় দফা দাবির সঙ্গে নতুন একটি দাবি যুক্ত হয়েছে—ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্টদের ১৬তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

ঢাকা পলিটেকনিকের শিক্ষার্থী মিঝদাহুল ইসলাম রিফাত বলেন, “আমরা চাই না কেউ পিয়ন হিসেবে যোগ দিয়ে পরে শিক্ষক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব পালন করুন। এটা শিক্ষার মান এবং মর্যাদার অবমাননা।” তিনি আরও জানান, আন্দোলনে কিছু শিক্ষকও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এর আগে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানকে দেওয়া স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা জানান—

দেশের বেশিরভাগ বেসরকারি পলিটেকনিকে পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধা নেই, যা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনে বাধা সৃষ্টি করছে।

যেসব প্রতিষ্ঠান এসব সুযোগ দিতে ব্যর্থ, সেগুলোর অনুমোদন বাতিলের দাবি জানান তারা।

অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও হয়রানির অভিযোগও ওঠে, যা নিয়ন্ত্রণে বোর্ডকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সরকারি পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট বাবদ যে ভাতা পান, তা বেসরকারি পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয় না—এই বৈষম্যও দূর করার দাবি তোলা হয়।

শিক্ষার্থীদের অবস্থানে সাতরাস্তা মোড় হয়ে বনানী, মহাখালী, উত্তরা রুটে যান চলাচলে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। গুলশান ট্রাফিক বিভাগ জানায়, মহাখালী থেকে বনানী-উত্তরা রুট স্বাভাবিক থাকলেও বিপরীত দিকের চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিকল্প রুট হিসেবে গুলশান-১, শান্তা ডাইভারশন হয়ে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।