চট্টগ্রামে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মঞ্চ ভাঙচুর: আটকদের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরের ডিসি হিলে বাংলা নববর্ষ বরণের প্রস্তুতির সময় মঞ্চ ভাঙচুরের ঘটনায় আটক পাঁচজনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় কোনও মামলাও হয়নি। পুলিশ জানায়, অভিযোগ না থাকায় আটক ব্যক্তিদের সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে ছেড়ে দেওয়া হয় সোমবার ভোরে।

রবিবার সন্ধ্যা ৭টার পর একটি মিছিল এসে মঞ্চে ভাঙচুর চালায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যায়। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল করিম জানান, “জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের আটক করা হয়েছিল। কেউ অভিযোগ না করায় মামলা হয়নি, তাই জিডিমূলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাধারণত এই ধরনের ঘটনায় সিএমপির ৮৮ ধারায় আটক ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়। তবে এই পাঁচজনের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি।

ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা গণতান্ত্রিক জোটের নেতাকর্মীরা সিআরবি সাত রাস্তার মাথায় মানববন্ধন করেন। তারা হামলাকারীদের বিচার দাবি করেন এবং পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আয়োজক কমিটির সমন্বয়ক সুচরিত দাশ খোকন জানান, ৩০-৪০ জনের একটি দল “ফ্যাসিস্ট দোসররা হুঁশিয়ার, আওয়ামী লীগের দালালরা হুঁশিয়ার” স্লোগান দিতে দিতে পুলিশের সামনেই মঞ্চে ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবারের নববর্ষের সব কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।

জানা গেছে, সম্মিলিত পহেলা বৈশাখ উদযাপন পরিষদ গত ৪৬ বছর ধরে ডিসি হিলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে আসছে। এবছর জেলা প্রশাসনের অনুমতির পরও অনুষ্ঠান ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, বিশেষ করে গানের তালিকা এবং অনুষ্ঠান সময়সীমা নিয়ে প্রশাসনের কঠোর শর্তের কারণে।

সমাবেশে সিপিবি, বাসদসহ বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা বলেন, এ ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার ফল। তারা আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়ার প্রতিবাদ জানান এবং বাঙালি সংস্কৃতির ওপর এই আঘাতকে অশনিসংকেত হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

চট্টগ্রামে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মঞ্চ ভাঙচুর: আটকদের ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

সংগৃহীত

চট্টগ্রাম নগরের ডিসি হিলে বাংলা নববর্ষ বরণের প্রস্তুতির সময় মঞ্চ ভাঙচুরের ঘটনায় আটক পাঁচজনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় কোনও মামলাও হয়নি। পুলিশ জানায়, অভিযোগ না থাকায় আটক ব্যক্তিদের সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে ছেড়ে দেওয়া হয় সোমবার ভোরে।

রবিবার সন্ধ্যা ৭টার পর একটি মিছিল এসে মঞ্চে ভাঙচুর চালায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যায়। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল করিম জানান, “জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের আটক করা হয়েছিল। কেউ অভিযোগ না করায় মামলা হয়নি, তাই জিডিমূলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাধারণত এই ধরনের ঘটনায় সিএমপির ৮৮ ধারায় আটক ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়। তবে এই পাঁচজনের ক্ষেত্রে তা করা হয়নি।

ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা গণতান্ত্রিক জোটের নেতাকর্মীরা সিআরবি সাত রাস্তার মাথায় মানববন্ধন করেন। তারা হামলাকারীদের বিচার দাবি করেন এবং পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আয়োজক কমিটির সমন্বয়ক সুচরিত দাশ খোকন জানান, ৩০-৪০ জনের একটি দল “ফ্যাসিস্ট দোসররা হুঁশিয়ার, আওয়ামী লীগের দালালরা হুঁশিয়ার” স্লোগান দিতে দিতে পুলিশের সামনেই মঞ্চে ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবারের নববর্ষের সব কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে।

জানা গেছে, সম্মিলিত পহেলা বৈশাখ উদযাপন পরিষদ গত ৪৬ বছর ধরে ডিসি হিলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে আসছে। এবছর জেলা প্রশাসনের অনুমতির পরও অনুষ্ঠান ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, বিশেষ করে গানের তালিকা এবং অনুষ্ঠান সময়সীমা নিয়ে প্রশাসনের কঠোর শর্তের কারণে।

সমাবেশে সিপিবি, বাসদসহ বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা বলেন, এ ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার ফল। তারা আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়ার প্রতিবাদ জানান এবং বাঙালি সংস্কৃতির ওপর এই আঘাতকে অশনিসংকেত হিসেবে আখ্যায়িত করেন।