নির্ভয়ে ভোট দেয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

ভোটাররা যেন ভয়মুক্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়ামে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

ড. ইউনূস বলেন, ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জুন ২০২৬ এর মধ্যে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়, সে জন্য পুলিশ সদস্যদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর প্রতি সমান আচরণ নিশ্চিত করতে হবে এবং ভোটারদের নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে দিতে সহায়তা করতে হবে।

তিনি警ির বলেন, “কোনো ব্যক্তি যদি অন্যায় বা অনিয়ম করে নির্বাচিত হয়, তার দ্বারা কখনোই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তাই আপনাদের সততা ও নিরপেক্ষতা রক্ষা করে কাজ করতে হবে। কোনো দলের হাতিয়ার হয়ে উঠবেন না।”

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, পুলিশ বাহিনী যেন ভবিষ্যতে কখনো দলীয় স্বার্থে কিংবা অন্যায় কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত না হয়, সেজন্য একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অপরিহার্য। তিনি পুলিশ সদস্যদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান, যেন কোনো ‘পরাজিত শক্তি’ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে।

তিনি বলেন, “আমি আগেও বলেছি, আমরা যুদ্ধের মতো একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। একটি অশুভ চক্র আমাদের স্বপ্ন ও ঐক্য বিনষ্ট করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। আপনাদের সর্বদা সতর্ক ও দৃঢ় থাকতে হবে।”

আন্দোলন-সংকটময় পরিস্থিতিতে পুলিশের ধৈর্যশীল ভূমিকার প্রশংসা করে ড. ইউনূস আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতেও তারা পেশাদারিত্ব ও সহনশীলতা বজায় রাখবে।

তিনি বলেন, “পুলিশ মানুষের বন্ধু—এই ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। আমি জেনেছি, এবার প্রথমবারের মতো ধর্মীয় নেতা, সাংবাদিক ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পুলিশ বাহিনীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ, যা প্রতি বছরই অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।”

এই ধরনের সংলাপ পুলিশের সঙ্গে জনসাধারণের দূরত্ব কমাতে সহায়ক হবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধান উপদেষ্টা।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

নির্ভয়ে ভোট দেয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

ভোটাররা যেন ভয়মুক্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটোরিয়ামে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

ড. ইউনূস বলেন, ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জুন ২০২৬ এর মধ্যে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়, সে জন্য পুলিশ সদস্যদের কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর প্রতি সমান আচরণ নিশ্চিত করতে হবে এবং ভোটারদের নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে দিতে সহায়তা করতে হবে।

তিনি警ির বলেন, “কোনো ব্যক্তি যদি অন্যায় বা অনিয়ম করে নির্বাচিত হয়, তার দ্বারা কখনোই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তাই আপনাদের সততা ও নিরপেক্ষতা রক্ষা করে কাজ করতে হবে। কোনো দলের হাতিয়ার হয়ে উঠবেন না।”

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, পুলিশ বাহিনী যেন ভবিষ্যতে কখনো দলীয় স্বার্থে কিংবা অন্যায় কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত না হয়, সেজন্য একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অপরিহার্য। তিনি পুলিশ সদস্যদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান, যেন কোনো ‘পরাজিত শক্তি’ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে।

তিনি বলেন, “আমি আগেও বলেছি, আমরা যুদ্ধের মতো একটি পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। একটি অশুভ চক্র আমাদের স্বপ্ন ও ঐক্য বিনষ্ট করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। আপনাদের সর্বদা সতর্ক ও দৃঢ় থাকতে হবে।”

আন্দোলন-সংকটময় পরিস্থিতিতে পুলিশের ধৈর্যশীল ভূমিকার প্রশংসা করে ড. ইউনূস আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতেও তারা পেশাদারিত্ব ও সহনশীলতা বজায় রাখবে।

তিনি বলেন, “পুলিশ মানুষের বন্ধু—এই ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। আমি জেনেছি, এবার প্রথমবারের মতো ধর্মীয় নেতা, সাংবাদিক ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পুলিশ বাহিনীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ, যা প্রতি বছরই অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।”

এই ধরনের সংলাপ পুলিশের সঙ্গে জনসাধারণের দূরত্ব কমাতে সহায়ক হবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধান উপদেষ্টা।