বেস্টফ্রেন্ড’ ব্লেক লাইভলির হুমকিতে বিপাকে টেইলর সুইফট

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের পর এখন টানাপোড়েন চলছে টেইলর সুইফট ও ব্লেক লাইভলির মধ্যে। হলিউডের অন্যতম আলোচিত বন্ধুত্বে এখন ফাটল দেখা দিয়েছে। সুইফট শুধু লাইভলি ও রায়ান রেনল্ডসের সন্তানদের গডমাদারই ছিলেন না, লাইভলিকেই তিনি বন্ধু তালিকার শীর্ষে রাখতেন। তবে সেই সম্পর্কেই এবার জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি ‘It Ends With Us’ সিনেমাকে কেন্দ্র করে এই দ্বন্দ্বের সূচনা। সিনেমাটিতে ব্লেক লাইভলি ও পরিচালক-অভিনেতা জাস্টিন বালডোনি একে অপরের প্রেমিক-প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু সিনেমার সৃজনশীল সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন দুজনেই, যার রেশ গিয়ে পৌঁছায় আদালতে।

এমন পরিস্থিতিতে টেইলর সুইফটকে জাস্টিন বালডোনির পক্ষ না নেওয়ার শাস্তি হিসেবে হুমকি দিয়েছেন ব্লেক লাইভলি। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদালতে জমা দেওয়া আইনি নথিতে উল্লেখ রয়েছে, ব্লেক সুইফটকে চাপ দেন বালডোনির বিপক্ষে অবস্থান নিতে। তিনি কিছু ব্যক্তিগত বার্তা মুছে ফেলতেও বলেন, আর তা না হলে সেগুলো ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দেন।

জাস্টিন বালডোনির আইনজীবী ব্রায়ান ফ্রিডম্যান দাবি করেন, ব্লেকের এই আচরণ সাক্ষীকে প্রভাবিত করা এবং তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার সামিল। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি এখন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে।

এদিকে, সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস হওয়া কিছু চ্যাট বার্তায় দেখা যায়, লাইভলি নিজের জনপ্রিয়তা এবং স্বামী রায়ান রেনল্ডস ও বন্ধু টেইলর সুইফটের প্রভাব কাজে লাগিয়ে বালডোনিকে কোণঠাসা করতে চাচ্ছেন। একটি বার্তায় লাইভলি নিজেকে ‘খালেসি’ বলে উল্লেখ করেন এবং রায়ান ও সুইফটকে ‘ড্রাগন’ বলে সম্বোধন করেন—যা নিয়েও চলছে ব্যাপক আলোচনা।

এই ঘটনায় টেইলর ও লাইভলির মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক কার্যত ভেঙে পড়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

বেস্টফ্রেন্ড’ ব্লেক লাইভলির হুমকিতে বিপাকে টেইলর সুইফট

বাংলাদেশ রিপোর্ট ডেস্ক

প্রকাশ :

সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের পর এখন টানাপোড়েন চলছে টেইলর সুইফট ও ব্লেক লাইভলির মধ্যে। হলিউডের অন্যতম আলোচিত বন্ধুত্বে এখন ফাটল দেখা দিয়েছে। সুইফট শুধু লাইভলি ও রায়ান রেনল্ডসের সন্তানদের গডমাদারই ছিলেন না, লাইভলিকেই তিনি বন্ধু তালিকার শীর্ষে রাখতেন। তবে সেই সম্পর্কেই এবার জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি ‘It Ends With Us’ সিনেমাকে কেন্দ্র করে এই দ্বন্দ্বের সূচনা। সিনেমাটিতে ব্লেক লাইভলি ও পরিচালক-অভিনেতা জাস্টিন বালডোনি একে অপরের প্রেমিক-প্রেমিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু সিনেমার সৃজনশীল সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন দুজনেই, যার রেশ গিয়ে পৌঁছায় আদালতে।

এমন পরিস্থিতিতে টেইলর সুইফটকে জাস্টিন বালডোনির পক্ষ না নেওয়ার শাস্তি হিসেবে হুমকি দিয়েছেন ব্লেক লাইভলি। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদালতে জমা দেওয়া আইনি নথিতে উল্লেখ রয়েছে, ব্লেক সুইফটকে চাপ দেন বালডোনির বিপক্ষে অবস্থান নিতে। তিনি কিছু ব্যক্তিগত বার্তা মুছে ফেলতেও বলেন, আর তা না হলে সেগুলো ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দেন।

জাস্টিন বালডোনির আইনজীবী ব্রায়ান ফ্রিডম্যান দাবি করেন, ব্লেকের এই আচরণ সাক্ষীকে প্রভাবিত করা এবং তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার সামিল। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি এখন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে।

এদিকে, সামাজিক মাধ্যমে ফাঁস হওয়া কিছু চ্যাট বার্তায় দেখা যায়, লাইভলি নিজের জনপ্রিয়তা এবং স্বামী রায়ান রেনল্ডস ও বন্ধু টেইলর সুইফটের প্রভাব কাজে লাগিয়ে বালডোনিকে কোণঠাসা করতে চাচ্ছেন। একটি বার্তায় লাইভলি নিজেকে ‘খালেসি’ বলে উল্লেখ করেন এবং রায়ান ও সুইফটকে ‘ড্রাগন’ বলে সম্বোধন করেন—যা নিয়েও চলছে ব্যাপক আলোচনা।

এই ঘটনায় টেইলর ও লাইভলির মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক কার্যত ভেঙে পড়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র।