যমুনার সামনে অবস্থানের ঘোষণা এনসিপির 

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে এবং যমুনার সামনেই আন্দোলনের জন্য স্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) ভোর ৪টার দিকে এই ঘোষণা দেন পাটওয়ারী। তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা এখানে বসে পড়ুন, কিছুক্ষণ পরেই আমরা মঞ্চ তৈরি শুরু করব। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই মঞ্চের সামনে অবস্থান চালিয়ে যাব।’

ঘোষণার পরপরই মঞ্চ তৈরির জন্য বাঁশ, কাঠসহ অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী যমুনার পাশের মিন্টো রোড এলাকায় পৌঁছে যায়। শুক্রবার (৯ মে) ভোর ৫টার দিকে সরেজমিনে সেখানে এসব সরঞ্জাম দেখা গেছে।

এ সময় যমুনার সামনে ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করো’, ‘একটা একটা লীগ ধর, ধরে ধরে জবাই কর’, ‘আমার সোনার বাংলায়, আওয়ামী লীগের ঠাঁই নাই’, ‘বিচার কর, করতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিও ছিল দৃশ্যমান।

এই অবস্থান কর্মসূচি বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে শুরু হয়। দক্ষিণাঞ্চল এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীরা যমুনার সামনে জড়ো হতে থাকেন। রাত পৌনে ১টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা, শিবিরের দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ সিবগা, আপ বাংলাদেশের আলী হাসান জুনায়েদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতারাও সেখানে যোগ দেন।

এই আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে যমুনা ভবন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

যমুনার সামনে অবস্থানের ঘোষণা এনসিপির 

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’র সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঘোষণা দিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে এবং যমুনার সামনেই আন্দোলনের জন্য স্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) ভোর ৪টার দিকে এই ঘোষণা দেন পাটওয়ারী। তিনি আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা এখানে বসে পড়ুন, কিছুক্ষণ পরেই আমরা মঞ্চ তৈরি শুরু করব। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই মঞ্চের সামনে অবস্থান চালিয়ে যাব।’

ঘোষণার পরপরই মঞ্চ তৈরির জন্য বাঁশ, কাঠসহ অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী যমুনার পাশের মিন্টো রোড এলাকায় পৌঁছে যায়। শুক্রবার (৯ মে) ভোর ৫টার দিকে সরেজমিনে সেখানে এসব সরঞ্জাম দেখা গেছে।

এ সময় যমুনার সামনে ‘আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করো’, ‘একটা একটা লীগ ধর, ধরে ধরে জবাই কর’, ‘আমার সোনার বাংলায়, আওয়ামী লীগের ঠাঁই নাই’, ‘বিচার কর, করতে হবে’ ইত্যাদি স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিও ছিল দৃশ্যমান।

এই অবস্থান কর্মসূচি বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে শুরু হয়। দক্ষিণাঞ্চল এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীরা যমুনার সামনে জড়ো হতে থাকেন। রাত পৌনে ১টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা, শিবিরের দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ সিবগা, আপ বাংলাদেশের আলী হাসান জুনায়েদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতারাও সেখানে যোগ দেন।

এই আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে যমুনা ভবন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।