০
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ঈদুল আযহা উপলক্ষে দুস্থদের জন্য বরাদ্দ হওয়া ভিজিএফ’র ৬০ বস্তা চাল লুট করে নিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এরমধ্যে সেনা অভিযানে ২২ বস্তা চাল উদ্ধার হলেও বাকি ৩৮ বস্তা চাল বৃহস্পতিবার (৫ জুন) বেলা ১ টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো উদ্ধার হয়নি।
মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুরে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী চাল লুটের এ ঘটনা ঘটিয়েছে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। অভিযানে ২২ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনার সাথে জড়িত মেহেদী হাসান (২৪) নামে এক যুবককে আটক করে ২ মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুস্থদের মাঝে বিতরণের জন্য উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে বরাদ্দ পাওয়া ভিজিএফ’র চাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিতরণ শুরু করা হয়। দুপুর পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবেই বিতরণ চললেও দুপুর আড়াইটার দিকে লোকসমাগম কিছুটা কমলে স্থানীয় সন্ত্রাসী চল্লিশ বাহিনীর প্রধান রাখি ও বিশুর নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একদল সন্ত্রাসী সশস্ত্র অবস্থায় ইউনিয়ন পরিষদের ভেতর ঢুকে ৬০ বস্তা চাল (প্রতি বস্তা ৫০ কেজি) লুট করে নেয়। সন্ত্রাসীদের চাল লুটের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল, দৌলতপুর থানা পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে লুট হওয়া চাল উদ্ধারে অভিযান চালায়। চাল উদ্ধারে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একরামুল হক, ইউপি সদস্য মহাবুল ইসলাম ও গ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় অভিযুক্তসহ বিভিন্ন বাড়িতে তল্লাশি অভিযার চালায়। এসময় লুট হওয়া ২২ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনার সাথে জড়িত ফিলিপনগর এলাকার সাহাবুল ইসলামে ছেলে মেহেদী হাসানকে আটক করে ২ মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিকী। পরে তাকে বুধবার কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে লুট হওয়া বাঁকী চাল উদ্ধার না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা জানান, লুট হওয়া বাকি চাল এখনও উদ্ধার হয়নি। তবে চাল উদ্ধারের গোপনীয় অভিযান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। লুট হওয়া বাকি ৩৮ বস্তা চাল উদ্ধারে বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, এখনও চাল উদ্ধার হয়নি। তবে উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুস্থদের মাঝে বিতরণের জন্য উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে বরাদ্দ পাওয়া ভিজিএফ’র চাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিতরণ শুরু করা হয়। দুপুর পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবেই বিতরণ চললেও দুপুর আড়াইটার দিকে লোকসমাগম কিছুটা কমলে স্থানীয় সন্ত্রাসী চল্লিশ বাহিনীর প্রধান রাখি ও বিশুর নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একদল সন্ত্রাসী সশস্ত্র অবস্থায় ইউনিয়ন পরিষদের ভেতর ঢুকে ৬০ বস্তা চাল (প্রতি বস্তা ৫০ কেজি) লুট করে নেয়। সন্ত্রাসীদের চাল লুটের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল, দৌলতপুর থানা পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে লুট হওয়া চাল উদ্ধারে অভিযান চালায়। চাল উদ্ধারে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একরামুল হক, ইউপি সদস্য মহাবুল ইসলাম ও গ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় অভিযুক্তসহ বিভিন্ন বাড়িতে তল্লাশি অভিযার চালায়। এসময় লুট হওয়া ২২ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনার সাথে জড়িত ফিলিপনগর এলাকার সাহাবুল ইসলামে ছেলে মেহেদী হাসানকে আটক করে ২ মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিকী। পরে তাকে বুধবার কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে লুট হওয়া বাঁকী চাল উদ্ধার না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা জানান, লুট হওয়া বাকি চাল এখনও উদ্ধার হয়নি। তবে চাল উদ্ধারের গোপনীয় অভিযান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। লুট হওয়া বাকি ৩৮ বস্তা চাল উদ্ধারে বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিকী বলেন, এখনও চাল উদ্ধার হয়নি। তবে উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।






