বিশ্বরেকর্ডের পর বাজে ব্যাটিং, আইপিএল থেকে বিদায় রাজস্থানের

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

ছবি: সংগৃহীত

মাত্র এক ম্যাচ আগেই ইতিহাস গড়ে ২০০ প্লাস রান তাড়া করে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। কিন্তু সেই দলই পরের ম্যাচে মুখ থুবড়ে পড়লো মাত্র ১১৭ রানে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ১০০ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে চলতি আইপিএল থেকে বিদায় নিয়েছে ২০০৮ সালের প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন দলটি।

বৃহস্পতিবার জয়পুরের সাওয়াই মানসিং স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেলটনের ওপেনিং জুটিতে আসে ১১৬ রান। দুজনেই ফিফটি করেন। এরপর হার্দিক পান্ডিয়া ও সূর্যকুমার যাদব ঝড়ো ব্যাটিংয়ে (স্ট্রাইকরেট ২০৮) মুম্বাই তোলে ২০ ওভারে ২১৭ রান ২ উইকেটে।

জবাবে রাজস্থানের ব্যাটিংয়ে দেখা যায় ভীষণ ধস। আগের ম্যাচের নায়ক, ১৪ বছরের বিস্ময় বালক বৈভব সূর্যবংশী এদিন এক রানও করতে পারেননি, প্রথম ওভারেই দীপক চাহারের বলে আউট হন তিনি। এরপর যশস্বী জয়সওয়ালও দ্রুত ফিরে যান। ইনিংসের পুরোটা জুড়েই রাজস্থানের ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল চলতে থাকে। দলটি ১৬.১ ওভারে গুটিয়ে যায় মাত্র ১১৭ রানে।

রাজস্থানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন পেসার জোফরা আর্চার। অধিনায়ক রিয়ান পরাগ করেন ১৬ ও শুভম দুবে করেন ১১ রান। মুম্বাইয়ের হয়ে ট্রেন্ট বোল্ট ও কার্ন শর্মা শিকার করেন ৩টি করে উইকেট, আর জাসপ্রিত বুমরাহ নেন ২টি।

এই হারের ফলে ১১ ম্যাচে ৮টিতে হেরে রাজস্থানের বিদায় নিশ্চিত হলো আইপিএল থেকে। বিপরীতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স টানা ছয় ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে। আসরের শুরুতে প্রথম পাঁচ ম্যাচে চারটি হারলেও রোহিত-পান্ডিয়াদের দল এখন রীতিমতো দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে শিরোপার দিকে।

জনপ্রিয় সংবাদগুলো

বিশ্বরেকর্ডের পর বাজে ব্যাটিং, আইপিএল থেকে বিদায় রাজস্থানের

বাংলাদেশ রিপোর্ট

প্রকাশ :

সংগৃহীত

মাত্র এক ম্যাচ আগেই ইতিহাস গড়ে ২০০ প্লাস রান তাড়া করে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। কিন্তু সেই দলই পরের ম্যাচে মুখ থুবড়ে পড়লো মাত্র ১১৭ রানে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ১০০ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে চলতি আইপিএল থেকে বিদায় নিয়েছে ২০০৮ সালের প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন দলটি।

বৃহস্পতিবার জয়পুরের সাওয়াই মানসিং স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। সাবেক অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেলটনের ওপেনিং জুটিতে আসে ১১৬ রান। দুজনেই ফিফটি করেন। এরপর হার্দিক পান্ডিয়া ও সূর্যকুমার যাদব ঝড়ো ব্যাটিংয়ে (স্ট্রাইকরেট ২০৮) মুম্বাই তোলে ২০ ওভারে ২১৭ রান ২ উইকেটে।

জবাবে রাজস্থানের ব্যাটিংয়ে দেখা যায় ভীষণ ধস। আগের ম্যাচের নায়ক, ১৪ বছরের বিস্ময় বালক বৈভব সূর্যবংশী এদিন এক রানও করতে পারেননি, প্রথম ওভারেই দীপক চাহারের বলে আউট হন তিনি। এরপর যশস্বী জয়সওয়ালও দ্রুত ফিরে যান। ইনিংসের পুরোটা জুড়েই রাজস্থানের ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল চলতে থাকে। দলটি ১৬.১ ওভারে গুটিয়ে যায় মাত্র ১১৭ রানে।

রাজস্থানের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন পেসার জোফরা আর্চার। অধিনায়ক রিয়ান পরাগ করেন ১৬ ও শুভম দুবে করেন ১১ রান। মুম্বাইয়ের হয়ে ট্রেন্ট বোল্ট ও কার্ন শর্মা শিকার করেন ৩টি করে উইকেট, আর জাসপ্রিত বুমরাহ নেন ২টি।

এই হারের ফলে ১১ ম্যাচে ৮টিতে হেরে রাজস্থানের বিদায় নিশ্চিত হলো আইপিএল থেকে। বিপরীতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স টানা ছয় ম্যাচ জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে। আসরের শুরুতে প্রথম পাঁচ ম্যাচে চারটি হারলেও রোহিত-পান্ডিয়াদের দল এখন রীতিমতো দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে শিরোপার দিকে।